মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
টাংগাইলে ১৬০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত চাকুরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার(রিক) আশাতে ১০০ কর্মী নিয়োগ দিবে টাংগাইলে মধুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী কর্নেল আজাদের গাড়ী বহর থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ৩ জন আটক ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে টাংগাইলে ১৬০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত মধুপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি এখন মাদকসেবীদের নিরাপদ ঘাঁটি হয়ে উঠেছে মধুপুরে শুরু হয়েছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ টাংগাইলে পোস্টাল ব্যালটে ভোটা প্রয়োগ করবেন ৪০ হাজার ৯৩ জন ভোটার টাংগাইলে তিন বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিস্কার করলো বিএনপি বিএনপি থেকে মোহাম্মদ আলী কে বহিস্কার

কোরবানির ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন নাগরপুরের কামার শিল্পীরা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪
  • ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টুং, টাং শব্দে মুখরিত নাগরপুর কামার পল্লী। এই শব্দই জানান দিচ্ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা সন্নিকটে। ঈদের আর মাত্র ৯ দিন বাকি। তাই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দিন-রাত সমান তালে ব্যস্ত সময় পার করছেন নাগরপুর সদর এলাকার কামার শিল্পীরা।

শুক্রবার (৭ জুন) নাগরপুর সদর কামার পল্লীতে সরেজমিনে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। গত কয়েকদিন ধরেই তারা ভোর থেকে মাঝ রাত পর্যন্ত দা, ছুরি, বঁটি সহ অন্যান্য সরঞ্জাম তৈরি ও মেরামতের কাজ করছেন। সময় যত ঘনিয়ে আসছে বেচা-কেনাও বাড়ছে তাদের। শেষ মুহূর্তে দম ফেলার সময় নেই কামারদের।

কয়েকটি কামারের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি দোকানে ৩-৪ জন কর্মকার কোরবানির গরু কাটার সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুরনো দা, বঁটি ধার দিতে মজুরি ১০০ টাকা থেকে ১২৫ টাকা। গরু জবাইয়ের ১৮ ইঞ্চি সাইজের বড় ছুরি তৈরি করতে খরচ হচ্ছে ১৮০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা, চাপাতি প্রতি পিস খরচ হচ্ছে ৮০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। নিজ লোহা সরবরাহে মজুরি ৪০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা, প্রতি পিস বঁটি ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা, দা ৪০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা। মিন্নত আলী নামে এক ক্রেতা বলেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এ বছর কোরবানির গরু কাটার সরঞ্জামের দাম অনেক বেশি। গত বছর গরু জবাইয়ের বড় ছুরি ক্রয় করেছি ১৪০০ টাকা, এবার একই ছুরি বিক্রি হচ্ছে ২০০০ টাকায়। একাধিক কামার শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারা বছর দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি প্রভৃতি বিক্রি করে যে ব্যবসা হয়, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ব্যবসা হয় কোরবানির ঈদে। ব্যবসায়ী হীরা কর্মকার জানায়, এই কাজ তারা বংশানুক্রমে করে আসছেন। এ পেশায় বর্তমানে যারা রয়েছেন তারা বেশিরভাগই বাপ-দাদার ব্যবসাকে আঁকড়ে ধরে আছেন।

আকতার কর্মকার নামের এক ব্যবসায়ী জানান, কামার শিল্পীদের দৈনিক মজুরি ও লোহার দাম বেড়ে যাওয়ায় এ বছর কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সরঞ্জাম। নাগরপুর কামার পট্টিতে প্রতিটি দোকানে এখন দৈনিক গড়ে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এই মৌসুমে প্রতি দোকান মালিক প্রায় লাখ টাকার মতো আয় করেন। আর কামার শিল্পীরা ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করেন বলে জানা যায়। সারা বছর কামার শিল্পীদের ব্যস্ততা তেমন দেখা না গেলেও কোরবানির ঈদ এলে ব্যস্ততা বেড়ে যায় অনেক বেশি।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102