মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৪জন নিহত কেন্দ্রীয় যুবদলের মুন্না-নয়ন পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে মধুপুরে আনন্দ মিছিল টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ঘাটাইলে ধর্মীয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৪০৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কদমতলী হাসান পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক সোহরাব আলীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানী করার জন্য প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে স্কুলের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষিকা। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। লিখিত অভিযোগ ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার কদমতলী হাসান পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে বিগত ২০১৪ সালে সংগ্রামপুর ইউনিয়নের নলমা দক্ষিন পাড়া জামে মসজিদের ইমাম সোহরাব আলী ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি স্কুলের ক্লাশের ছলে শিক্ষার্থীদের সাথে অশোভন আচরণ ও অশ্লীল কথা বলেন। স্কুলের শিক্ষিকাকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন সময় অশ্লীল মন্তব্য করেন।

যৌন হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে স্কুলের শিক্ষিকা জানান, শুধু আমি না একাধিক শিক্ষার্থী ধর্মীও শিক্ষকের দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে। ৭ম শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ধর্মীয় শিক্ষক সোহরাব আলী স্যার আমাদের সাথে বাজে আচরণ করে অশ্লীল ভাষায় কথা বলে এমনকি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে যা আমাদের অনেক খারাপ লাগে। জানতে চাইলে অভিযুক্ত ধর্মীয় শিক্ষক সোহরাব আলী জানান, আমার বিরুদ্ধে কিছু শিক্ষক আছে তারাই শিক্ষার্থীদের শিখাই দিছে।

যৌন হয়রানীর বিষয়ে কদমতলী হাসান পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তার ধর্মীয় শিক্ষক কর্তৃক যৌন হয়রানির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্কুলের সভাপতিকে অবহিত করেছি।

শিক্ষকা এবং শিক্ষার্থীকে ধর্মীয় শিক্ষক কতৃক যৌন হয়রানির বিষয়ে হাসান পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালনা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইরতিজা হাসান মুঠোফোনে জানান, যৌন হয়রানির বিষয়ে কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনা সত্য হলে অভিযোক্ত ব্যক্তির সে যেই হোক না কেনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102