মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
টাংগাইলে ভোটকেন্দ্র গুলোতে ব্যালট বিতরণ শুরু মধুপুরে ৮৯টি ভোট কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় টাংগাইলে ১৬০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত চাকুরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার(রিক) আশাতে ১০০ কর্মী নিয়োগ দিবে টাংগাইলে মধুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী কর্নেল আজাদের গাড়ী বহর থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ৩ জন আটক ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে টাংগাইলে ১৬০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত মধুপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি এখন মাদকসেবীদের নিরাপদ ঘাঁটি হয়ে উঠেছে মধুপুরে শুরু হয়েছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ টাংগাইলে পোস্টাল ব্যালটে ভোটা প্রয়োগ করবেন ৪০ হাজার ৯৩ জন ভোটার

নাগরপুরের জহুরুল মিষ্টি পান চাষে সফল

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৩০২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে পান চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন জহুরুল ইসলাম (৩৮)। দারিদ্র্যকে বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে তার সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরেছে। জেলায় পান চাষির উদাহরণ এখন তিনি। জহুরুল নাগরপুর উপজেলার মামুদ নগর ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের মৃত সরব আলীর ছেলে।

অন্যের টেইলারিং (দর্জি) দোকানে কাজ করে অভাব-অনটনের মাঝে সংসার চলে তার। রাজশাহীর এক বন্ধুর পরামর্শে সেখান থেকে প্রথম ৫ হাজার মিষ্টি জাতের পানের চারা এনে বাড়ির পাশে ২৫ শতাংশ জমিতে পরীক্ষামূলক ভাবে পান রোপণ করেন। পান চাষ করে প্রথম বছরেই সে সুখের মুখ দেখেন।

এলাকাবাসী মো. হামিদ খান বলেন, ‘জহুরুল অনেক কষ্ট করে রাজশাহীর মিষ্টি পানের একটি বরজ তৈরি করেছে। আমরা তার এখান থেকে পান কিনে খাই। পানের স্বাদ রাজশাহীর পানের মতোই। এলাকায় যদি জহুরুলের মতো আরও উদ্যোক্তা তৈরি হয়, তাহলে জেলার পানের চাহিদা অনেকটা পূরণ হবে।’

পান চাষি মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘২০২১ সাল থেকে আমি পান চাষ করছি। নাগরপুর উপজেলায় আমিই প্রথম রাজশাহীর মিষ্টি পানের চাষ শুরু করি। পানের বরজ তৈরি করতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়। কোনো সমস্যা হলে রাজশাহীর চাষিদের পরামর্শ নিই। পান চাষে এ পর্যন্ত ২ লাখ টাকা লাভ হয়েছে। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লাভের পরিমাণ বাড়বে।’

তিনি বলেন, ‘আমি এই বাগানের পান স্থানীয় হাট-বাজারে পাইকারি বিক্রি করি। মাঝে মাঝে বিক্রির জন্য রাজশাহীতেও পাঠাই। এ বছর ঝড় ও টানা বৃষ্টিতে বরজের প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। বেশ কিছু পান গাছ মারা গেছে। পোকার উপদ্রব ঠেকাতে ওষুধ ছিটানো ছাড়া অতিরিক্ত কোনো খরচ নেই বলে পান চাষ লাভজনক।’

জহুরুল আরও বলেন, ‘আমার পান চাষে কৃষি বিভাগ সার্বক্ষণিক পরিদর্শনের পাশাপাশি পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছে। আমার কাছে কেউ যদি পান চাষের বিষয়ে সহযোগিতা চান, তাহলে সহযোগিতা করবো। সরকার যদি সহযোগিতা করে, তাহলে ব্যবসার পরিধি বাড়ানো সম্ভব।’

নাগরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসাইন বলেন, ‘পান চাষের উপযোগী এলাকা নাগরপুর। যার দৃষ্টান্ত উপজেলার মামুদ নগরের জহুরুল ইসলাম। আমরা সার্বক্ষণিক পরিদর্শনের পাশাপাশি কারিগরি পরামর্শ দিচ্ছি। এ ছাড়া উপজেলায় পান চাষের উদ্যোক্তা তৈরির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102