মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
টাংগাইলে ভোটকেন্দ্র গুলোতে ব্যালট বিতরণ শুরু মধুপুরে ৮৯টি ভোট কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় টাংগাইলে ১৬০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত চাকুরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার(রিক) আশাতে ১০০ কর্মী নিয়োগ দিবে টাংগাইলে মধুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী কর্নেল আজাদের গাড়ী বহর থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ৩ জন আটক ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে টাংগাইলে ১৬০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত মধুপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি এখন মাদকসেবীদের নিরাপদ ঘাঁটি হয়ে উঠেছে মধুপুরে শুরু হয়েছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ টাংগাইলে পোস্টাল ব্যালটে ভোটা প্রয়োগ করবেন ৪০ হাজার ৯৩ জন ভোটার

গোপালপুরে বিরল রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসা করবেন ডা. বিদ্যুৎ চন্দ্র দেবনাথ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে, টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভুটিয়া গ্রামে বিরল রোগে আক্রান্ত সেই পরিবারের চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, মানবিক ডাক্তার হিসাবে পরিচিত; বিএসএমএমইউ (সাবেক পিজি হাসপাতাল) এর সহযোগী অধ্যাপক (সার্জারি বিভাগ) ডা. বিদ্যুৎ চন্দ্র দেবনাথ।

শনিবার তিনি কয়েকজন চিকিৎসক ও মেডিকেল এসিস্ট্যান্টদেরকে সাথে নিয়ে, ভুটিয়া গ্রামের সেই বাড়িতে যান।

পরিবারের খোঁজ খবর নেন। বিরল রোগে আক্রান্ত সকলের সাথে আলাদা আলাদা কথা বলেন এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

ডা. বিদ্যুৎ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, প্রাথমিকভাবে, অল্প বয়সেই রোগাক্রান্ত হতে শুরু করা আমিনুল ইসলাম (১৪), সুমাইয়া খাতুন (১৬) এবং মো. সিফাত (২০) কে তিনি বিনা খরচে বিএসএমএমইউ’তে পরিক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা করাতে চান। চিকিৎসায় সফলতা পেলে, পরিবারে আক্রান্ত অন্যদেরকেও ঢাকায় নিয়ে যাবেন।

তিনি আরো বলেন, এই রোগ নিয়ে আমি ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেছি। রোগ নির্ণয় করা গেলে এই পরিবারকে রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারবো। এই রোগটি আমার কাছে খুবই বিরল মনে হচ্ছে, রেয়ার ডিজিস। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হয়তোবা এটাকে থিসিসের পার্ট হিসেবে নিয়ে নিতে পারে

এসময় তারসাথে ছিলেন ডা. আনিসুর রহমান, উপজেলা জাসাসের সভাপতি শাহনূর আহমেদ সোহাগ, স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, বংশগত বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন একই পরিবারের ৫-৬জন। এছাড়া এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ঔ বংশের ৯জন ব্যক্তি অকাল মৃত্যুবরণ করেছে বলে জানা গেছে। রোগটির কারণে হাত-পাসহ শরির কাঁপা, হাঁটতে না পারা, গাড় সোজা করতে না পারা, লালা পড়া, কথা বলতে না পারাসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয় আক্রান্তদের শরিরে। টাকা না থাকায় তাদের যেমন হচ্ছেনা চিকিৎসা, তেমনি  অর্ধাহার, অনাহারে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102