বড় জয়ে সিরিজে সমতা আনল দক্ষিণ আফ্রিকা

ক্রীড়া ডেস্কঃ ৭ উইকেটের  বড় জয়ে সিরিজে সমতা আনল দক্ষিণ আফ্রিকা।

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। টস জিতে আগে ব্যাটিং করে ১৯৪  রানে থামে তামিম ইকবালের দল। আফিফের ৭২ ও মিরাজের ৩৮ রানে মান বাঁচানো পুঁজি পায় বাংলাদেশ। রাবাদা একাই নেন ৫ উইকেট।

রান তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ঝড়ো ফিফটি হাঁকান ডি কক। তার ৬২ রানে শুরুতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় স্বাগতিকরা।  তিনে নেমে ভেরেইনা ৫৮ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন ভ্যান ডার ডুসেন। মাঝে ৩৭ রান করেন টেম্বা বাভুমা। ১টি করে উইকেট নেন মিরাজ-সাকিব-আফিফ।

দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৯৫/৩ (৩৭.২ ওভার) 

টেম্বা বাভুমাকে সাজঘরে পাঠিয়েছেন আফিফ হোসেন। ততক্ষণে জয়ের ভিত পেয়ে যায় প্রোটিয়ারা। ৩৩তম ওভারের প্রথম বলে সুইপ করেন বাভুমা, স্কয়ার লেগে বল তালুবন্দি করেন শরিফুল ইসলাম। ৫২ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৩৭ রান করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। বাভুমা আউট হলেও ফিফটি তুলে নিয়েছেন ভেরেইনা। ৬২ বলে ৪ চার ও ২ ছয়ে ফিফটি হাঁকান তিনি। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান ভ্যান ডার ডুসেন। জয়ের জন্য আর মাত্র ১৪ রান প্রয়োজন প্রোটিয়াদের।

চালকের আসনে প্রোটিয়ারা, বাংলাদেশের সাদামাটা বোলিং 

সাকিবের ঘূর্ণি আফিফের দুর্দান্ত ক্যাচে আউট ডি কক

ইনিংসের শুরু থেকে তিনি খুনে মেজাজে। মাত্র ২৬ বলে হাঁকিয়েছিলেন ফিফটি। শরিফুল-তাসকিন-মিরাজ কেউই থামাতে পারছিলেন না তাকে। অবশেষে সাকিবের বলে ধরা পড়েন। মিড উইকেটে উড়িয়ে মেরেছিলেন কক, বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়ানো আফিফ দুবারের চেষ্টায় বল তালুবন্দি করেন। তার ব্যাট থেকে আসে ৪১ বলে ৬২ রান।

মিরাজের ঘূর্নিতে বোল্ড মালান  

রান তাড়া কর‍তে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা হয়েছে উড়ন্ত। ডি কক কিংবা মালান কাউকেই থামানো যাচ্ছিল না। অবশেষে মিরাজ আসেন ত্রাতা হয়ে। ১৩তম ওভারের তৃতীয় বলে মালান সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন। তার ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৪ চারে ২৬ রান। মালান ফিরলেও ডি কক ব্যাটিং করে যাচ্ছেন খুনে মেজাজে।

ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ডি ককের ফিফটি

প্রথম ম্যাচে অসুস্থতার কারণে ছিলেন না। দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নেমে ছন্দে কুইন্টন ডি কক। দক্ষিণ আফ্রিকাকে এনে দিয়েছেন উড়ন্ত শুরু। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নিজেও তুলে নিয়েছেন ফিফটি, মাত্র ২৬ বলে। ৮ চার ও ২ ছয়ে ফিফটি করেন কক।

সাদামাটা তাসকিন-শরিফুল, প্রোটিয়াদের দারুণ শুরু

প্রথম ওভারে ২ রান দিয়ে শরিফুল শুরু করেছিলেন। পরের ওভারে ডি কককে আউট হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিলেন তাসকিন। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। এরপরেই যেন খেই হারিয়ে ফেলেন দুই পেসার। তৃতীয় ওভারে শরিফুল দুই চারে দেন ৮ রান। আর চতুর্থ ওভারে তাসকিন দেন ১৪ রান। মাঝে মিরাজকেও নিয়ে এসেছেন তামিম। কিন্তু কাজ হয়নি। দুই ওপেনার মালান-কক হাত খুলে খেলার চেষ্টা করছেন। ইতিমধ্যে ওপেনিং জুটি পঞ্চাশ ছাড়িয়ে গেছে।

রাবাদার তোপে ১৯৪ রানে থামল বাংলাদেশ

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। টস জিতে আগে ব্যাটিং করে ১৯৪  রানে থামে তামিম ইকবালের দল। ৩৪ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার ধাক্কা সামলে নেনে মাহমুদউল্লাহ-আফিফ। দুজনে ৬০ রানের জুটি গড়েন। মাহমুদউল্লাহ ২৫ রানে ফেরার পর আফিফ মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে সপ্তম উইকেটে রেকর্ড জুটি গড়েন। দুজনের জুটি থেকে আসে ১১২ বলে ৮৬ রান। আফিফ সর্বোচ্চ ৭২ রান করেন। মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ৩৮ রান। শেষ দিকে শরিফুল ও মোস্তাফিজ ২ রান করে অপরাজিত থাকেন। কাগিসো রাবাদা একাই নেন ৫ উইকেট। ১০ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে তিনি এই উইকেটগুলো নেন।

মাহমুদউল্লাহ ফিরলেও আফিফ-মিরাজের জুটি আশা দেখাচ্ছিল দুইশ রানের। কিন্তু দুজন ফিরে যাওয়াতে দুইশর আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশ। ৪৯তম ওভারে সাজঘরে ফেরেন শরিফুল। ডুসেনের বলে লং অনে দারুণ ক্যাচ ধরেন বদলি নামা মারক্রাম।

রেকর্ড জুটি গড়ে থামলেন আফিফ-মিরাজ, রাবাদার ফাইফার

বিপর্যয়ের মুহূর্তে দলের হাল ধরেছেন। দলকে টেনে তুলেছেন খাদের কিনারা থেকে। অবশেষে আফিফ থামলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি করে, ৭২ রানে। তার ব্যাটে ভর করেই সম্মানজনক পুঁজি গড়ার ভিত পায় বাংলাদেশ। রাবাদার বলে মারতে গিয়ে ঠিকমতো টাইমিং করতে পারেননি। মিড উইকেট অঞ্চলে বল উঠে যায় আকাশে। ক্যাচ ধরেন বাভুমা। ১০৭ বলে ৯ চারে এই রান করেন তিনি। একই ওভারে পঞ্চম বলে ফিরলেন মিরাজও। শর্ট মিড অফে দারুণ ক্যাচ ধরেন মালান। মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ৪৯ বলে ৩৮ রান। দুজনে সপ্তম উইকেটে রেকর্ড জুটি (৮৬) গড়ে আউট হন। এই নিয়ে ৫ উইকেট নিলেন রাবাদা। এটি তার ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় ফাইফার। বাংলাদেশের টপঅর্ডারদের ব্যর্থতার পেছনে বড় কারণ রাবাদার জ্বলে ওঠা।

আফিফ-মিরাজের রেকর্ড জুটি

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বেশ কয়েকটি নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে শুরুতে ধস নামলেও রেকর্ড যে হয়নি তা না। সপ্তম উইকেটে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে রেকর্ড জুটি গড়েছেন আফিফ-মিরাজ। দুজনে সপ্তম উইকেটে এখন পর্যন্ত যোগ করেন ৯১ বলে ৬১ রান। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ৫৪। যা ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে মোহাম্মদ আশরাফুল-মাশরাফি মুর্তজা করেছিলেন।

একই ওভারে আফিফ-মিরাজের জীবন 

বাভুমার করা ৪১তম ওভারে জীবন পেলেন আফিফ-মিরাজ। তৃতীয় বলে লং অনে মিরাজের সহজ ক্যাচ ফেলেন মালান। শেষ বলে বাভুমাই ফেলেন আফিফের ক্যাচ। যদিও এটি কঠিন ছিল। আফিফ অফে পুশ করলে বাভুমা ডান দিকে লাফ দিয়ে বল ধরতে পারেননি। ২১ রানে মিরাজ ও আফিফ ৬১ রানে জীবন পান।

স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আফিফের ফিফটি

আবারও বিপদের মুহূর্তে দলের হাল ধরলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। ৩৪ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর দলের হাল ধরেন। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে ৬০ রানের জুটি গড়ে করেন প্রতিরোধ। মাহমুদউল্লাহ ফিরলেও আফিফ থাকেন অবিচল। তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি। ৭৯ বলে ৭টি দারুণ চারে এই ফিফটির দেখা পান আফিফ।  এখন মিরাজসহ এগিয়ে নিচ্ছেন দলকে।

মাহমুদউল্লাহর বিদায়ের পর শতরান পেরিয়ে বাংলাদেশ 

আফিফের সঙ্গে জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু দলীয় রান ১০০ পূর্ণ হওয়ার আগেই তাকে থামিয়ে দিয়ে ব্রেক থ্রো এনে তাবরাইজ শামসি। ইনিংসের ২৮তম ওভারের প্রথম বলে ডিফেন্স করতে গিয়ে লেগ স্লিপে মালানের হাতে ক্যাচ দেন এই ব্যাটসমান। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৪ বলে ২৫ রান। ভেঙে যায় ৮৭ বলে ৬০ রানের জুটি। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান মেহেদি হাসান মিরাজ।

১৬৭ বলে বাংলাদেশের ১০০ 

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের শুরুতা ভালো হয়নি। শুরুতেই ধস নামে রাবাদার-এনগিডির আগুনে বোলিংয়ে। ৩৪ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর মাহমুদউল্লাহ-আফিফের জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে তুলে বাংলাদেশ। দুজনের জুটুতে ভর করে ২৭.৫ ওভারে ১০০ পূর্ণ করে বাংলাদেশ। যদিও ১০০ এর আগে আউট হয়ে যান মাহমুদউল্লাহ।

মাহমুদউল্লাহ-আফিফে প্রতিরোধের চেষ্টায় বাংলাদেশ

কাগিসো রাবাদার আগুনে বোলিংয়ে ৩৪ রানে ৫উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করছেন মাহমুদউল্লাহ-আফিফ। দুজনে দেখে শুনে খেলে ষষ্ঠ উইকেটের জুটিতে ইতিমধ্যে ৭৪ বলে ৫১ রান যোগ করেছেন। চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে দিতে হলে এ দুজনের ভালো ব্যাটিং করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

আউট ইয়াসির-মুশফিক

ওয়ান্ডারার্সের ব্যাটিং স্বর্গে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধস নেমেছে। রাবাদার বলে শূন্য রানের জীবন পাওয়া ইয়াসির ফিরলেন তার বলেই। ১৪ বলে ২ রান করেন তিনি। শর্ট বলে পরাস্ত হন আগের ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করা এই ব্যাটসম্যান। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে তার ক্যাচ ধরেন কেশব মহারাজ। এর পরে ১৩তম ওভারে ওয়েন পার্নেলের করা চতুর্থ বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন মুশফিক। এই প্রথম বাংলাদেশ কোনো উইকেট হারালো এক্সট্রা বাউন্স ছাড়া বলে। পার্নেলের লেন্থ বল একটু নিচু হয়ে আসে, মুশফিক ফ্রন্ট ফুটে খেলতে চেয়েছিলেন, বল ব্যাট মিস করে লাগে পায়ে। তার ব্যাট থেকে আসে ৩১ বলে ১২ রান। ৩৪ রানে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারালো।  এখন হাল ধরার চেষ্টা করছেন আফিফ-মাহমুদউল্লাহ।

মাঠে এসেই জীবন পেলেন ইয়াসির 

লিটনের আউট পর ক্রিজে এসে জীবন পেয়েছেন ইয়াসির রাব্বি। রাবাদার আউট সাইড অফের বল ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বল ব্যাটের কানায় লেগে যায় প্রথম স্লিপে। কিন্তু বল তালুবন্দি করতে পারেননি ফিল্ডার। শূন্য রানের জীবন পান ইয়াসির।

এবার আউট লিটন, শুরুতেই চাপে বাংলাদেশ  

কাগিসো রাবাদার করা ইনিংসের অষ্টম ওভারের প্রথম বল। আগের ওভারেই এনগিডিকে পুল করে দারুণ চার মারা লিটন ক্যাচ দিলেন উইকেটের পেছনে। ২১ বলে ৩ চারে ১৫ রান করেন তিনি। রাবাদার শর্ট বলে আপার কাট করতে চেয়েছিলেন লিটন, কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। বল ব্যাটে লেগে চলে যায় ডি ককের হাতে। আগের ম্যাচে ফিফটি করেছিলেন, এই ম্যাচে আভাস দিয়েও পারেননি। শুরুতেই ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ায় চাপে বাংলাদেশ।

তামিমের পর সাকিব ফিরলেন শূন্য রানে

তামিমকে হারানোর ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই সাকিব আল হাসানকে হারালো বাংলাদেশ। কাগিসো রাবাদার করা ইনিংসের চতুর্থ ওভারে সাকিব ফেরেন শূন্য রানে। রাবাদার এক্সট্রা বাউন্স বলে ফ্লিক করতে চেয়েছিলেন সাকিব, কিন্তু টাইমিং মেলেনি। কাভারে বল তালুবন্দি করেন ভেরেইনা। ৬ বল খেললেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। আগের ম্যাচে সাকিব খেলেছিলেন ৭৭ রানের এক ঝকঝকে ইনিংস। তার ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ বড় লক্ষ্য দিতে পারে। তামিমের পর শুরুতেই সাকিব ফেরায় চাপে বাংলাদেশ। এখন হাল ধরার চেষ্টা করছেন লিটন-মুশফিক।

শুরুতেই তামিমকে হারালো বাংলাদেশ  

ইনিংসের তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে আউট হন তামিম ইকবাল। তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১ রান। লুঙ্গি এনগিডির বলে তামিম এগিয়ে এসে শট খেলতে চেয়েছিলেন, ঠিক মতো সংযোগ হয়নি। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দৌড়ে গিয়ে ক্যাচ ধরেন কেশব মহারাজ। আগের ম্যাচে তামিম-লিটন ৯৫ রানের জুটি গড়ে ইনিংসের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন। আজ শুরুতেই তামিম ফেরায় সেটা সম্ভব হয়নি।

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ 

ওয়ান্ডারার্সে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি বাংলাদেশ। এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে বাংলাদেশ।বাংলাদেশ সময় রোববার (২০ মার্চ) দুপুর ২টায় শুরু হয় খেলা। প্রথম ম্যাচ ডে-নাইট হলেও এটি  ‘ডে ম্যাচ।’

‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনে তামিম-বাভুমাদের সংহতি

দ্বিতীয় ওয়ানডে শুরুর আগে ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনে সংহতি জানালো বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা।  দুই দলের ক্রিকেটার  ও ম্যাচ অফিসিয়ালরা হাঁটু গেড়ে বসে ও এক হাত তুলে একাত্মতা জানান বর্ণবাদ বিরোধী এই আন্দোলনের সঙ্গে।

বাংলাদেশ একাদশ:

বাংলাদেশ একাদশে কোনো পরিবর্তন নেই। অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই নেমেছে সফরকারীরা।

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ইয়াসির আলী, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম।

আফ্রিকার একাদশে তিন পরিবর্তন

তিন পরিবর্তন নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। একাদশে এসেছেন কুইন্টন ডি কক, ওয়েন পার্নেল ও তাবরাইজ শামসি। বাদ পড়েছেন আন্দিলে ফেলুকওয়ায়ো, মার্কো জানসেন।

টেম্বা বাভুমা, ইয়ানেমান মালান, কুইন্টন ডি কক, ওয়েন পার্নেল, তাবরাইজ শামসি ডেভিড মিলার, লুঙ্গি এনগিডি, , ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, কাগিসো রাবাদা, কেশব মহারাজ, রাসি ফন ডার ডুসেন ও কাইল ভেরেইনা।

পিঙ্ক ওয়ানডে

স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য  ‘পিঙ্ক ওয়ানডে’ খেলে দক্ষিণ আফ্রিকা। অর্থ্যাৎ প্রোটিয়ারা নামা গোলাপি জার্সি গায়ে দিয়ে। এবার তারা নামছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। এই প্রথ বাংলাদেশ পিঙ্ক ওয়ানডে খেলছে।

লক্ষ্য এখন সিরিজ জয়

সেঞ্চুরিয়নে জয়ের মহাকাব্য লেখার পর এবার ওয়ান্ডারার্সে তামিম ইকবালের দল নামবে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে। প্রথম ম্যাচ জয়ের পর গতকাল শনিবার বাংলাদেশ দল বিশ্রামে কাটিয়েছে। ব্যাট-বল নিয়ে টুং-টাং না করে তামিম-সাকিবরা নিজেদের মতো করে সময় কাটিয়েছেন। মেহেদি হাসান মিরাজের কণ্ঠে ভাসছে আত্মবিশ্বাস। জানিয়েছেন দেশের বাইরে সিরিজ জিততে চায় বাংলাদেশ। হ্যাঁ, দেখেন স্বপ্ন যদি বড় না থাকে তাহলে তো আগানো যায় না। আমাদের স্বপ্ন অনেক বড়। আমরা ভালো কিছু করতে চাই। দেশে যেমন সিরিজ জিতি বাইরেও আমরা সিরিজ জিততে চাই।’

তামিমের জন্মদিনে জয় উপহার দিতে পারবেন সতীর্থরা?

৩৩ পেরিয়ে ৩৪ এ পা রাখলেন তামিম। দেশসেরা বাঁহাতি ওপেনারের জন্মদিনে বাংলাদেশ মাঠে নামছে জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডার্সে। দুদিন আগে ল্যান্ডমার্ক অর্জনের পর বার্থডে বয়কে সেরা উপহার কি দিতে পারবেন সাকিব-মুশফিকরা! আজ যে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে যে কোনো ফরম্যাটে প্রথম সিরিজ জয়ের হাতছানি। তার জন্মদিনে জয় উপহার দিতে পারবেন সতীর্থরা?

ছাড় দেবে না দক্ষিণ আফ্রিকা

নিজেদের মাটিতে হেরে দক্ষিণ আফ্রিকা এখন আহত বাঘ। তারা হামলে পড়বে বাংলাদেশের ওপর; এটা এক প্রকার নিশ্চিত। আইসিসি বিশ্বকাপ সুপার লিগে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। আর দক্ষিণ আফ্রিকার তলানিতে। বাংলাদেশের বিপক্ষে যে কোনোভাবে জয় তুলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মরিয়া স্বাগতিক দল। বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচও হারলে বিশ্বকাপে সরাসরি যাওয়া নিয়ে সংশয়ে পড়তে হতে পারে প্রোটিয়াদের।
অধিনায়ক বাভুমা বলেন, ‘রোববার আমাদের ম্যাচ জেতা ছাড়া কোনো উপায় নেই। আমাদের সব বিভাগকে ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে। আমি যে সব পয়েন্ট অর্জন করেছি তা দেখেছি। আমাদের ওই খেলাটাই খেলতে হবে যেটা আমরা জানি এবং আমরা পারি।’

ব্যাটিং স্বর্গ ওয়ান্ডারার্স

ওয়ান্ডারার্স দক্ষিণ আফ্রিকার পয়া ভেন্যু। চেনা পরিবেশ, চেনা কন্ডিশন। সবকিছুই তাদের পক্ষে। এখন পর্যন্ত এই মাঠে ৫০টি ওয়ানডে হয়েছে। তার মধ্যে ৩৭টি খেলে ২৭টিতে জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৩ ম্যাচে জয় নিরপেক্ষ দেশের। ব্যাটিং স্বর্গ হিসেবে পরিচিত এটি। দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ৪৩৮ রানের সেই বিখ্যাত ম্যাচ এখানেই হয়েছে। ওভার প্রতি গড় রান এখানে ৫.২০ করে। মাঠের পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে এই মাঠে জয় পেতে হলে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের আবার জ্বলে উঠতে হবে। তার সঙ্গে থামাতে হবে ডেভিড মিলার কিংবা ভ্যান ডার ডুসেনদের। তারা জ্বলে ওঠার আগেই নিভিয়ে দিতে হবে। না হয় রান বন্যায় ভাসতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap