এশিয়া কাপ ধরে রাখতে আশাবাদী বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্কঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ফাইনালে নাম লিখিয়েই নিশ্চিত করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট। এবার ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে নতুন মিশন এশিয়া কাপে। যেখানে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লাল সবুজের দল।

১ অক্টোবর থেকে সিলেটের মাটিতে শুরু হবে মহাদেশীয় এই টুর্নামেন্টের লড়াই। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি দেশের মাটিতে খেলা বলে এগিয়ে রাখছেন নিজেদের। আর এতে তাদের অনুপ্রেরণা দেবে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের কৃতিত্ব।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বাছাইয়ের ট্রফি হাতে ঢাকা পৌঁছে সাংবাদিকদের জ্যোতি বলেন, ‘ঘরের মাঠে যেহেতু খেলা, নিজেদেরকে এগিয়ে রাখাই উচিত। যেহেতু আমরা ভালো একটা প্রস্তুতি পেয়েছি। চ্যাম্পিয়নশিপের মতো বড় অনুপ্রেরণা কিন্তু কিছু হতে পারে না আমার মতে। সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় যে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হলো আমরা বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করে এসেছি, যেটা পুরো দলকে উজ্জীবিত করছে।’

২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ ট্রফি জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশের মেয়েরা। এবার সেটি ধরে রাখার পালা। জ্যোতিও সেই কথাই বলছেন, শিরোপা ধরে রাখায় ১১০ ভাগ আশাবাদী বাংলাদেশ অধিনায়ক।

অকপটে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে জ্যোতি বললেন, ‘আমাদের দলে অনেকেই  আছে যারা এশিয়া কাপ খেলেছে। সুতরাং সবাই অভিজ্ঞ। ১১০ পারসেন্ট অবশ্যই (শিরোপা ধরে রাখতে কতটা আশাবাদী)। কারণ নিজের মাটিতে খেলা এবং টিম ভালো অবস্থানে আছে। তাই অবশ্যই চাইবো ঘরের মাঠে ঘরের শিরোপা থাকে।’

টুর্নামেন্টের সবকটি ম্যাচ হবে সিলেটে। মোট ২৪ ম্যাচের ৯টি হবে সিলেটের আউটার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। বাকি ১৫টি ম্যাচ হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। সাতটি দলের অংশগ্রহণে লিগ পদ্ধতিতে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে একে অপরের মুখোমুখি হবে দলগুলো। ১৫ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে নারী এশিয়া কাপের।

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টে একটি ম্যাচেও হারেনি জ্যোতির দল। তাই এশিয়া কাপের জন্য এর চেয়ে ভালো প্রস্তুতি আর হয় না বলেও মনে করেন তিনি।

জ্যোতি বলেন, ‘আমি বলবো যে এটি আমাদের জন্য সেরা প্রস্তুতি ছিল, কারণ ম্যাচ প্র্যাকটিসের চেয়ে ভালো কোনও প্রিপারেশন হতে পারে না। যেহেতু আমরা এই ফরম্যাটেই খেলে এসেছি, তাই এশিয়া কাপে এটি আমাদের অনেক বেশি সাহায্য করবে। কারণ কমবেশি দল কিন্তু আমরা একই পাচ্ছি। আমরা একসঙ্গে খেলছি। এশিয়া কাপে যদি টিম কম্বিনেশন ঠিক থাকে, দল হিসেবে কাজ করতে পারি আমার কাছে মনে হয় এশিয়া কাপে ভালো একটা ফল হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap