মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ

ঘাটাইলের কৃষক আশরাফুল রঙ্গিন ফুলকপি চাষ করে সফল

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৭৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হলুদ ও বেগুনী রঙের ফুলকপি চাষ করে সফল হয়েছেন কৃষক আশরাফুল ইসলাম (৩৫)। বাহারি রঙের ফুলকপি চাষ করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন তিনি। এ ফুলকপি দেখতে ও কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। আর এসব ফুলকপি বিক্রি করে লাভবানও হয়েছেন আশরাফুল।

কৃষক আশরাফুল টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাঁচটিকরী গ্রামের আকবর হোসেন তালুকদারে ছেলে। তিনি বারোমাসি সবজি চাষ করে আসছেন। এ মৌসুমে তাকে রঙিন ফুলকপি চাষে পরামর্শ দেন উপজেলার পাঁচটিকরী কৃষি ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তৌকির আহমেদ। তিনি উন্নতজাতের রঙিন ফুলকপির বীজ সংগ্রহ করে দেন আশরাফুলকে।

কৃষক আশরাফুল বলেন, বাড়ি সংলগ্ন ৭৫ শতক জমিতে আমি যখন রঙিন ফুলকপি চাষ করি, তখন অনেকেই বলেছিলেন ভালো ফলন হবে না। বীজ রোপণের আড়াই মাসের মধ্যে ক্ষেত থেকে হলুদ ও বেগুনী রঙের ফুলকপি সংগ্রহ করে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি করি। সঠিকভাবে পরিচর্যা করে ভালো ফলন পেয়েছি এবং আর্থিকভাবেও সফল হয়েছি। ৭৫ শতক জমিতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচে দুই লক্ষাধিক টাকার ফুলকপি বিক্রি হয়েছে।

একই এলাকার কৃষক মিনহাজ, ইউসুফ বলেন, আশরাফুলের পাশাপাশি আমরাও আগামীতে রঙিন ফুলকপির চাষ করার চিন্তা করছি।

উপজেলার পাঁচটিকরী কৃষি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তৌকির আহমেদ বলেন, উপজেলায় সর্বপ্রথম আশরাফুল ইসলামের মাধ্যমে এ বাহারি ফুলকপির আবাদ করানো হয়। সফলতা আসায় আগামীতে এ অঞ্চলে সবজিটি ব্যাপকভাবে চাষাবাদ করানো হবে। ঘাটাইলে কৃষিতে এটি একটি নতুন সংযোজন। তিনি আরো বলেন, বাহারি রঙের ফুলকপি চীনে খাওয়া হয় সালাদ হিসেবে। সাদা ফুলকপির চেয়ে রঙিন ফুলকপির পুষ্টিগুণ বেশি। কম খরচ ও কম পরিশ্রমে চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ময়মনসিংহ অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মোটিভেশনের মাধ্যমে ঘাটাইলে রঙিন ফুলকপি চাষ করা হয়েছে। জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের বদলে ব্যবহার করা হয়েছে জৈবসার। পোকা দমনে ফেরোমন ও হলুদ ফাঁদ ব্যবহার করা হয়েছে। চারা রোপণের ৭০-৮০ দিনের মধ্যেই রঙিন ফুলকপি বিক্রি করা যায়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলশাদ জাহান বলেন, ঘাটাইলে প্রথমবার কৃষক আশরাফুল ইসলাম বাহারি রঙের ফুলকপি চাষ করে সফল হয়েছেন। রঙিন ফুলকপিতে ভিটামিন এ, সি, কে, ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, এন্টিঅক্সিডেন্টসহ মানবদেহে উপকারী বিভিন্ন উপাদান আছে। আশা করা যাচ্ছে, বাহুবলে আগামীতে রঙিন ফুলকপি চাষ অনেকটাই বাড়বে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102