দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে উদ্বৃত্ত খাদ্য বিদেশে রপ্তানির উপযোগী করে তুলতে বর্তমান সরকার কৃষিক্ষেত্রে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, টাঙ্গাইল সদরের একটি বৃহৎ অংশ চরাঞ্চল। চর এলাকার উন্নয়নে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। চরের অনেক পতিত জমি রয়েছে।
এসব জমি চাষাবাদের আওতায় আনা গেলে প্রান্তিক কৃষকরা উপকৃত হবেন। পাশাপাশি আশপাশের জেলাগুলোতেও খাদ্য সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে খরিপ-১ মৌসুমে পাট ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে পাট বীজ, সার ও কৃষি সরঞ্জাম বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব করেন। টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, চরাঞ্চলে উৎপাদিত অনেক সবজি জাতীয় ফসল রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হয় এবং কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। টাঙ্গাইল সদরের কয়েকটি ইউনিয়নের ফসলের সুরক্ষা দিতে একটি হিমাগার (কোল্ড স্টোরেজ) স্থাপনের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এতে ফসলের সুরক্ষার পাশাপাশি কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন।
তিনি বলেন, এই প্রথম চরাঞ্চলে সেচযন্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে পাট বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। আমাদের পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে। কৃষকরা যেন সঠিকভাবে সার পায়, সে জন্য সর্বোচ্চ তদারকি করা হচ্ছে। সার পেতে কারো কোনো অসুবিধা হবে না। প্রান্তিক কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সরকার ভবিষ্যতেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের (১ম সংশোধনী) পরিচালক জিয়াউর রহমান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশেক পারভেজ, কৃষিবিদ নূরে আলম সিদ্দিকী ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া প্রমুখ।