মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন

এলেঙ্গা-যমুনাসেতু মহাসড়কের চার লেনের কাজ ৩ বছরেও শেষ হয়নি, ঈদ যাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা!!

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ চলছে অত্যন্ত ধীরগতিতে। তিন বছর পেরিয়ে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও এখন পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ৫০ শতাংশ। এতে বিভিন্ন সময়ে এ মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াতকারীদের পড়তে হয় দুর্ভোগে। বিশেষ করে ঈদযাত্রায় যানজটে দুর্ভোগের মাত্রা বাড়ে কয়েকগুণ। ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে কাজের ধীরগতির অভিযোগ পরিবহন চালক ও যাত্রীদের।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত রাস্তার চার লেনের কাজ শেষ হওয়ায় এই অংশ নির্বিঘ্নেই যাতায়াত করতে পারছেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ২৪টি জেলার যাত্রীরা। কিন্তু এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সড়কের চার লেন প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দক্ষিণ এশীয় উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার (সাসেক-২ প্রকল্প) আওতায় ২০২১ সালের ডিসেম্বরে টেন্ডারের মাধ্যমে এ মহাসড়কের উন্নীতকরণের কাজ পায় আব্দুল মোনায়েম লিমিটেড। এ কাজের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৬০০ কোটি টাকা। ২০২২ সালের মার্চ মাসে মহাসড়ক উন্নীতকরণের কাজ শুরু হয়। এরইমধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। পুনরায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তবনাও দেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৫০ শতাংশ। বর্তমানে ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাসের কাজ চলমান। সার্ভিস লেনসহ মহাসড়কের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের এলেঙ্গায় ফ্লাইওভারের কাজ চলছে। বিভিন্ন স্থানে আন্ডারপাসের কাজও চলমান। কোথাও কোথাও মহাসড়কের মাঝখানে বালু রাখতে দেখা যায়।

এলেঙ্গায় ফ্লাইওভারের কাজের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন শ্রমিকের সঙ্গে কথা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, ‌‘পাঁচ মাস হলো এখানে কাজ করছি। বর্তমানে দ্রুততম সময়ে কাজ করার নিদের্শনা রয়েছে। তাই আমরা একাধিক শ্রমিক দ্রুতগতিতে কাজ করছি।’

একাধিক পরিবহন চালক জানান, কয়েক বছর ধরে এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত রাস্তার কাজ চলছে। নাগাদ কাজ শেষ হবে আমাদের জানা নেই। শুধু ঈদ এলেই তড়িঘড়ি করে কাজ করা হয়। অন্য সময়ে কাজের তেমন গতি দেখা যায় না।

বাসচালক মো. নান্নু বলেন, ‘মহাসড়কের এলেঙ্গায় ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন স্থানে কাজ চলছে। ফলে বিভিন্ন সময়ে আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে ঈদ এলেই এ মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট লাগে।’

আরেক বাসচালক রমিজ উদ্দিন সাহা বলেন, ‘মহাসড়কের কাজের জন্য আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। দ্রুতই কাজ শেষ করার দাবি জানাই।’

বিষয়ে আবদুল মোনেম লিমিটেডের প্রজেক্ট ম্যানেজার রবিউল আওয়াল বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এক বছর মেয়াদ বাড়ানোর জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আসন্ন ঈদযাত্রায় মহাসড়কের দুই পাশেই চার লেনে যানবাহন চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হবে। তবে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবনার সঙ্গে ব্যয় কত টাকা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে রাজি হননি।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102