মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে ৮৯টি ভোট কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় টাংগাইলে ১৬০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত চাকুরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার(রিক) আশাতে ১০০ কর্মী নিয়োগ দিবে টাংগাইলে মধুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী কর্নেল আজাদের গাড়ী বহর থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ৩ জন আটক ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে টাংগাইলে ১৬০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত মধুপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি এখন মাদকসেবীদের নিরাপদ ঘাঁটি হয়ে উঠেছে মধুপুরে শুরু হয়েছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ টাংগাইলে পোস্টাল ব্যালটে ভোটা প্রয়োগ করবেন ৪০ হাজার ৯৩ জন ভোটার টাংগাইলে তিন বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিস্কার করলো বিএনপি

মাভিপ্রবিতে স্বৈরাচারের দোসর ৭ শিক্ষকের বিচারের দাবিতে আবেদন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) স্বৈরাচারের দোসর ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতাকারী ৭ শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মো. তুষার আহম্মেদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা এ লিখিত আবেদন জমা দেন।

লিখিত আবেদনে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, “আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো ইতিহাস সৃষ্টিকারী প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, মাভাবিপ্রবি’র পক্ষ থেকে বলছি, স্বৈরাচারের দোসর এবং জুলাই অভ্যুত্থানের বিরোধিতাকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যা বর্তমান প্রশাসনের জন্য সবচেয়ে বড় লজ্জা ও ব্যর্থতার বিষয়। তবুও আমরা আদালতের কাছে না গিয়ে এই প্রশাসনের ওপর বিশ্বাস রেখে ‘এ গ্রেডধারী’ নিম্নবর্ণিত স্বৈরাচারের দোসরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করছি। আমরা বিশ্বাস রাখি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং আমাদের আদালতের শরণাপন্ন হতে হবে না।”

আবেদনে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম (রসায়ন বিভাগ), অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম (ইএসআরএম বিভাগ), অধ্যাপক ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক (ইএসআরএম বিভাগ), অধ্যাপক মো. মুছা মিয়া (গণিত বিভাগ), অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী (রসায়ন বিভাগ), অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম (ফার্মেসি বিভাগ) এবং শাকিল মাহমুদ শাওন (অর্থনীতি বিভাগ)। আবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, পর্যায়ক্রমে ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রেডধারী স্বৈরাচারের দোসরদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ প্রদান করা হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. সাজ্জাদ ওয়াহিদ বলেন, “লিখিত আবেদন পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102