মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে বন উজাড় এবং বনভূমি জবরদখলের অভিযোগ তদন্তে বিভাগীয় কমিটি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি মধুপুরে নিখোঁজের ১৫ ঘন্টা পর আদিবাসী যুবকের লাশ উদ্ধার মধুপুরে পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৪জন নিহত কেন্দ্রীয় যুবদলের মুন্না-নয়ন পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে মধুপুরে আনন্দ মিছিল টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

গোপালপুরে যমুনা নদীর ভাঙনে সড়কে ধস,যানবাহন চলাচল বন্ধ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে তীব্র স্রোতের কারণে টাঙ্গাইল-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ঝুঁকিতে রয়েছে নদী রক্ষা বাঁধ, বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সোমবার(২০ জুলাই) বিকাল থেকে গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া যমুনা নদীর ২৫মিটার অংশে ভাঙন শুরু হয়। এতে ওই সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

ফলে যানবাহনগুলো বিভিন্ন জায়গা দিয়ে চলাচল করায় ভোগান্তিতে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। তবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধের চেষ্টা করছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সরেজমিনে সাখারিয়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। নদীর প্রবল স্রোতের সঙ্গে লড়াই করে চলছে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা। এ সময় নদীর স্রোত কমাতে সড়কের পাশে গাছের বড় বড় ডালপালা ও গুঁড়ি নদীতে ফেলা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের ভাষ্য, এটি কেবল সাময়িক উদ্যোগ। স্থায়ী নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ না হলে প্রতিবছরই একই সংকট ফিরে আসবে।

ভাঙনের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক,অ্যাম্বুলেন্সসহ সব ধরনের যানবাহনকে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে। অনেককে প্রায় ১০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। এতে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে পরিবহন ব্যয় ও জনভোগান্তি।

স্থানীয় বাসিন্দা আরাফাত রহমান জানান, কয়েকদিন ধরেই যমুনার তীব্র স্রোত ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন অংশ বিলীন হচ্ছে। দ্রুত টেকসই ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভাঙন আরো বিস্তৃত হয়ে মহাসড়ক গ্রাস করতে পারে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-তারাকান্দি-ভূঞাপুর অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাসখানেক ধরে নদীল ভাঙন দেখা দেয়। প্রথমেই ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেয়া হলে এমন পরিস্থিতি হতো না। সড়কটি ভেঙে গেলে যোগাযোগ বন্ধসহ ক্ষতিগ্রস্ত হবে হাজারও পরিবার।

স্থানীয় শিক্ষিকা ময়না বলেন, কার্যকর নদী শাসনের ব্যবস্থা না হলে ভবিষ্যতে যমুনা নদীর প্রবাহে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। একটি স্থায়ী বাধের ব্যবস্থা হলে সড়ক এবং নদীপাড়ের মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন জানান, এই সড়কটি ভেঙ্গে গেলে টাঙ্গাইলের উত্তর এলাকার ২০ থেকে ২৫টি গ্রাম তলিয়ে যাবে। এতে করে লাখ লাখ লোক পানিবন্দি হয়ে পড়বে। যত দ্রুত সম্ভব এই বাঁধ রক্ষা করতে হবে।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাঈন উদ্দীন বলেন, ভাঙনরোধে জিওব্যাগ ফেলার কাজ চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, আপাতত তাৎক্ষণিকভাবে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করা হচ্ছে। আগামী শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী বাঁধের যেসব জায়গা সংস্কার করা দরকার, সেগুলো সম্পন্ন করা হবে। আর তা করলেই এই সড়কটি পুরোপুরি নিরাপদ থাকবে।

টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত  ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102