এ বিষয়টি বিএনপির জন্য ভালো দিক। রাজনীতি করা মানে দেশ ও জনগণকে সেবা দেওয়া। এমপি হয়েই দেশ ও মানুষের কাজ করতে হবে এ কথার সঙ্গে আমি একমত না।
দিপু হায়দার খান বলেন, এদেশের আপামর জনতাকে নিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে বিতাড়িত করেছি। এখনো বিএনপির বিরুদ্ধে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় বিএনপির নেতাকর্মীরা সদা প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দিপু হায়দার খান বলেন, তারেক রহমান ৩১ দফার বার্তা নিয়ে প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার মানুষের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করছি। এ ছাড়া উপজেলার প্রায় এক লাখ পরিবারে বিএনপির পক্ষে আমার বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। এভাবে এ উপজেলার মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কাজ করছেন। এ কাজের ফলাফল বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
মির্জাপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল মোহসীন শিপনের সভাপতিত্বে সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম সহিদ, নিরঞ্জন পাল, জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ মিঞা, সাংবাদিক শিলা আক্তার, জোবায়ের হোসেন, ছানোয়ার হোসেন ছাড়াও কৃষকদলের জেলা ও উপজেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

