তিনি বলেছেন, “ভূঞাপুরে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা দখলবাজির স্থান হবে না। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত, তারা স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান—পনের দিনের মধ্যে এসব অপকর্ম বন্ধ না করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” নির্বাচনত্তোর দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা জানাতে এসে দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দ্যেশে দলীয় কার্যালয়ে এসে এসব কথা বলেন নব নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু।
দলীয় কর্মীদের উদ্দ্যেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি আরও জানান, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। জয়ূ এবং পরাজয় বরনকারী কোন নেতা কর্মী যাতে কোন কোন বাড়ী গরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কোন প্রকার ক্ষতি করতে না পারে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সভায় উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ এ ঘোষণাকে স্বাগত জানান। অনেকেই আশা প্রকাশ করেন, এ পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে ভূঞাপুরে দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য কমে আসবে এবং স্বস্তি ফিরে আসবে জনজীবনে।
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নবনির্বাচিত এমপির এমন কঠোর বার্তা এলাকায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—তবে এর কার্যকর বাস্তবায়নই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।
উল্লেখ যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর–গোপালপুর আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আব্দুস সালাম পিন্টু মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ২১৩ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর এলাকায় আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। সমর্থকরা জানান, এ বিজয় জনগণের প্রত্যাশা ও আস্থার প্রতিফলন।
নবনির্বাচিত এমপি আব্দুস সালাম পিন্টু কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “এই বিজয় ভূঞাপুর-গোপালপুরের মানুষের। আমি সবার সহযোগিতায় এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবো।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় ব্যবধানে প্রাপ্ত এই ভোট ভবিষ্যৎ রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।