ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছেন রাজধানীমুখী মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ। একই সঙ্গে গণপরিবহনের সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত কয়েক দিন ধরেই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। রবিবার রাত ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ৩৯২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১ লাখ ৬৯ হাজার ৪০০ টাকা।
সোমবার (১ জুন) সকালে সরেজমিনে যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বর, এলেঙ্গা, রাবনা, নগরজালফৈসহ বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা যায়, রাজধানীমুখী যাত্রীদের চাপ রয়েছে। তবে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও কোনো যানজট বা দীর্ঘসূত্রতা দেখা যায়নি।
কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া এলাকার রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঢাকায় যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি। ভালো বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছি। প্রচণ্ড গরমে কষ্ট হচ্ছে। এছাড়া, আড়াইশ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।”
গাবতলীগামী যাত্রী হেনা বেগম বলেন, “ঈদের আগেও বাড়তি ভাড়া দিয়ে বাড়িতে এসেছি। এখনো অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। আমার মতো সাধারণ মানুষকে সব সময়ই ভোগান্তি পোহাতে হয়।”
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে যমুনা সেতুর উভয় পাশে ৯টি করে মোট ১৮টি টোল বুথ চালু রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য আলাদাভাবে দুই পাশে দুটি করে বুথ রয়েছে। যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেতু এলাকায় কোনো যানজট নেই।”