বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশিদের জন্য বিপুলসংখ্যক মেডিক্যাল ভিসা দেওয়া হয়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। পরিবেশ-পরিস্থিতির উন্নতি হলে ভারতের অন্যান্য ভিসা প্রক্রিয়া চালু করা হবে।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার দুর্গামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, ‘দুর্গাপূজা একটি মহোৎসব।
ভারত ও বাংলাদেশ একইভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন করে থাকে। সপ্তমী পূজা আমাদের জন্য আনন্দ উৎসবের। আমি এখানে এসেছি সপ্তমী পূজা উদযাপন করতে। এটি আমাদের জন্য একটি দুর্দান্ত উপলক্ষ।
দুর্গাপূজার মতো উৎসবগুলো ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সাধারণ বন্ধন। আমরা উভয়ই একই চেতনা এবং একই উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করি।’বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপাল দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মিস্টার ঘনশ্যাম ভান্ডারী ও তার প্রতিনিধি দল, বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, বিচারপতি বিশ্বদেব চক্রবর্তী, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আরিফুল ইসলাম, থানার ওসি মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
সেখানে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. আব্দুল হালিম, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, কুমুদিনী নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল রিনা ক্রুস ও কুমুদিনী হাসপাতালের উপপরিচালক অনিমেষ ভৌমিক লিটন তাদের স্বাগত জানান।
এ ছাড়া কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, পরিচালক মহাবীর পতি চন্দন, ভারতেশ্বরী হোমসের অধ্যক্ষ মন্দিরা চৌধুরী তাদের স্বাগত জানান। নেপাল ও কানাডার রাষ্ট্রদূত মির্জাপুর সাহাপাড়ার কয়েকটি মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।