মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল মধুপুরে বিভিন্ন এতিমখানায় খেজুর বিতরণ মধুপুরের শালবনের ছায়ায় ঘেরা কালিয়াকুড়ি গ্রাম আজ এক অনন্য মানবতীর্থ

ঘাটাইলে ধর্মীয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কদমতলী হাসান পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক সোহরাব আলীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানী করার জন্য প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে স্কুলের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষিকা। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। লিখিত অভিযোগ ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার কদমতলী হাসান পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে বিগত ২০১৪ সালে সংগ্রামপুর ইউনিয়নের নলমা দক্ষিন পাড়া জামে মসজিদের ইমাম সোহরাব আলী ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি স্কুলের ক্লাশের ছলে শিক্ষার্থীদের সাথে অশোভন আচরণ ও অশ্লীল কথা বলেন। স্কুলের শিক্ষিকাকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন সময় অশ্লীল মন্তব্য করেন।

যৌন হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে স্কুলের শিক্ষিকা জানান, শুধু আমি না একাধিক শিক্ষার্থী ধর্মীও শিক্ষকের দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে। ৭ম শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ধর্মীয় শিক্ষক সোহরাব আলী স্যার আমাদের সাথে বাজে আচরণ করে অশ্লীল ভাষায় কথা বলে এমনকি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে যা আমাদের অনেক খারাপ লাগে। জানতে চাইলে অভিযুক্ত ধর্মীয় শিক্ষক সোহরাব আলী জানান, আমার বিরুদ্ধে কিছু শিক্ষক আছে তারাই শিক্ষার্থীদের শিখাই দিছে।

যৌন হয়রানীর বিষয়ে কদমতলী হাসান পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তার ধর্মীয় শিক্ষক কর্তৃক যৌন হয়রানির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্কুলের সভাপতিকে অবহিত করেছি।

শিক্ষকা এবং শিক্ষার্থীকে ধর্মীয় শিক্ষক কতৃক যৌন হয়রানির বিষয়ে হাসান পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালনা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইরতিজা হাসান মুঠোফোনে জানান, যৌন হয়রানির বিষয়ে কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনা সত্য হলে অভিযোক্ত ব্যক্তির সে যেই হোক না কেনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102