মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল

সখীপুরের কাঁকড়া খালে সাড়ে তিন বছরেও শেষ হয়নি সেতু নির্মাণ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৩৭৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিদাস-বহুরিয়া চতলবাইদ সড়কে কাঁকড়া খালে সেতু নির্মাণ কাজ ১২ মাসে শেষ করার কথা থাকলেও শেষ হয়নি সাড়ে তিন বছরেও। এতে ওই সড়কে চলাচলকারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

উপজেলার কালিদাস-বহুরিয়া চতলবাইদ সড়কের করটিয়াপাড়ায় কাঁকড়া খালে সরকারের শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় ওই সেতুর নির্মাণ কাজ ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়। ২ কোটি ২৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৩১ টাকা ব্যয়ে ২৫ মিটার দৈর্ঘের পিএসসি গার্ডার সেতুটির কাজ পায় মেসার্স মাইন উদ্দিন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি শেষ করার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাত্র কয়েক মাস কাজ করে উধাও হয়ে যায়।

স্থানীয় সরকার প্রকৈাশল অধিদফতরের (এলজিইডি) দাবি, ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রথম দফায় ২০ ভাগ কাজ করার পর দুই বছর তাদের কোনো খোঁজ ছিল না। তাগিদ দেয়ার পর এখন ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মাণাধীন পিএসসি গার্ডার সেতুটির দুই পাশের পিলারগুলো শুধু দাঁড় করানো হয়েছে। নির্মাণাধীন সেতুর পাশ দিয়ে সাময়িকভাবে হেঁটে চলাচলের জন্য স্থানীয়দের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছিল, যা বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

করটিয়া পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও সোনারবাংলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক জুলহাস মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এলাকার উৎপাদিত কাঁচামাল জেলা শহরে আনা-নেয়া করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। প্রয়োজনের তাগিদে ১০-১৫ কিলোমিটার ঘুরে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছে এলাকাবাসী।

বহুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সেতুটি নির্মাণের দাবি জানান।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে লিটন মিয়া বলেন, আশা করছি, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এলজিইডির উপজেলা প্রকৈাশলী মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, গত দুই বছরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কয়েকটি তাগিদপত্র দেয়া হয়েছে। কাজটি বাতিলের সিদ্ধান্তও হয়েছিল। কিন্তু ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গত জানুয়ারির আগেই কাজটি শেষ করে দিবে বলে আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেতুটি দ্রুত নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102