মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন

সখীপুরে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পলাতক কাজ শেষ হয়নি ৩ বছরেও

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২২৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিয়া থেকে নিশ্চিন্তপুর ৬ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৫ কোটি ৬ লাখ ৯৯ হাজার ১১৯ টাকা ১৭ পয়সা। ১৮ মাসে কাজটি শেষ করার কথা থাকলেও শেষ হয়নি সাড়ে তিন বছরের বেশি সময়েও। এখনো ২ কিলোমিটারের বেশি বাকি আছে কাজ। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা ৫ মাসের বেশি সময় ধরে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির সব মিলিয়ে ৪০ শতাংশ কাজ বাকি। যেটুকু করা হয়েছে তাতেও নয়ছয় করা হয়েছে। কাজ পুরোপুরি শেষ না হলেও এখনই সড়কের পিচ উঠে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় সড়ক দেবে গেছে।

সখীপুর এলজিউডি অফিস সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী অফিস থেকে সড়কটির কাজ পায় টাঙ্গাইলের এমএস দাস ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠন।

সড়কটির কাজের সাথে সম্পৃক্ত বেশ কয়েকজন জানিয়েছেন, এমএস দাস ট্রেডার্সের কাছ থেকে সড়কটির কাজ কিনে নেয় শিকদার বিল্ডার্স নামে স্থানীয় আরেকটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়রা বলছেন, ‘আগে এটি মাটির সড়ক ছিল। পরে সড়কটি খনন করে দীর্ঘদিন ফেলে রাখায় পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এরপরে বালু মিশ্রিত নিম্নমানের পুরাতন ইটের খোয়া ফেলা হয়েছে। এমনকি বিটুমিনও পরিমাণে কম দেয়া হয়েছে।’

এ ছাড়াও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্থানীয় দু’টি স্কুল মাঠে ওই সড়কের নির্মাণ সামগ্রী ও ইটের খোয়া ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্কুল দুটির শিক্ষার্থীরা সাড়ে তিন বছর ধরে খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বারবার তাগিদ দিলেও তারা কর্ণপাত করেনি।’

সখীপুর এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহমেদ জানান, দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠন দাস ট্রেডার্সকে ১৫ কোটি ৬ লাখ ৯৯ হাজার ১১৯ টাকা ১৭ পয়সার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের নভেম্বরের ৩০ তারিখের মধ্যে কাজটি শেষ করার কথা ছিল। ইতোমধ্যে আবারো কাজের মেয়াদ ও বরাদ্দ বাড়িয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।’

অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএস দাস ট্রেডার্সের জেনারেল ম্যানেজার মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমরা সড়কে কোনো অনিয়ম করিনি। বর্ষার কারণে কাজ বন্ধ ছিল। সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই কাজ শুরু হবে। এই কাজে আমাদের এক কোটি টাকার ভর্তুকি যাচ্ছে। তবুও আমরা সুষ্ঠুভাবে কাজটি শেষ করার চেষ্টা করছি।’

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102