মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল

টাংগাইলে ভুল চিকিৎসার কারনে ৫ গরুর মৃত্যু,খামারীর ক্ষতিপূরন দাবি

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে এআই টেকনিশিয়ানের (কৃত্রিম প্রজনন) প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পাছ বেথইর গ্রামের এম এ সামাদ মোল্লা। পরবর্তী তিনি পশু চিকিৎসক সেজে বিভিন্ন এলাকায় খামারিদের গরুর চিকিৎসা শুরু করেন। তার বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার চিনামুড়া গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের খামারে ৭টি গরুর ক্ষুরা রোগ হয়। গত ২৪ অক্টোবর আনোয়ার হোসেন এম এ সামাদ মোল্লাকে ডাকেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসার পর ৩০ অক্টোবর একসঙ্গে চারটি ও পরে আরেকটি গরু মারা যায়। পরে কালিহাতী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাইম আল সালাউদ্দিনকে অবগত করলে তিনি ১ নভেম্বর আনোয়ারের খামার পরিদর্শন করেন। এতে আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, তার প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে গত ১৭ নভেম্বর আনোয়ার হোসেন জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও র‌্যাব ১২ অধিনায়ক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘‘আমি কৃষি কাজ করে কোনোরকমে সংসার চালাই। ২০ বছর আগে খুব কষ্টে গরুর খামার করেছিলাম। সেখানে সাতটি গরু ছিল। ভুল চিকিৎসায় পাঁচটি মারা গেছে। আমি ক্ষতি পূরণ দাবি করছি।’’

অভিযুক্ত এম এ সামাদ মোল্লা বলেন, ‘‘আমি গরুর ডাক্তার।’’ তবে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর বিষয়টি অস্বীকার করেন।

কালিহাতী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাইম আল সালাউদ্দিন বলেন, সামাদ গরুর কৃত্রিম প্রজননের জন্য এআই টেকনিশিয়ানের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি পশুর চিকিৎসা করতে পারেন না। তিনি গুরুতর অপরাধ করেছেন। এক খামারের ৭টি গরুর মধ্যে ৫টি মেরে খামারিকে নিঃস্ব করেছেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102