মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল

টাংগাইলে ইফতার নিয়ে জামায়াত-ছাত্রদলের হাতাহাতি

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে জামায়াতের ইফতার মাহফিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বুধবার (১৯ মার্চ) বিকেলে শহরের কোদালিয়া এলাকার কেডি মসজিদের সামনের মাঠে ঘটনাটি ঘটে। টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানবীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী জানান, গতকাল টাঙ্গাইল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কেডি মসজিদের সামনের মাঠে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে জামায়াতের শহর শাখা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল বাতেনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল ইফতার মাহফিল বন্ধ করার জন্য আয়োজক কমিটিকে চাপ দেয়।

জামায়াত নেতারা ইফতার আয়োজনে অনড় থাকলে উত্তেজনা দেখা দেয়। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। জামায়াতের জেলা আমির আহসান হাবীব মাসুদ ও পুলিশের একটি টিম গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা সেখানেই ইফতার করেন।

টাঙ্গাইল শহর জামায়াতের আমির মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, “ছাত্রদলের টাঙ্গাইল জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব এম এ বাতেন তার সঙ্গীদের নিয়ে আমাদের ইফতার মাহফিলে বাধা দেন। তিনি মাইক বন্ধ করে দেন।”

টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব এম এ বাতেন বলেন, “ইফতার অনুষ্ঠানে কোনো ধরনের হট্টগোল হয়নি। তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। এলাকায় কে বা কারা ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সেটা জানার জন্য সেখানে গিয়েছিলাম।”

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানবীর আহমেদ বলেন, “তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ সদস্যদের পাঠিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের চেষ্টা করা হয়। পরিবেশ স্বাভাবিক হলে সবাই মিলেমিশে সেখানে ইফতার করেন।”

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102