মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল মধুপুরে বিভিন্ন এতিমখানায় খেজুর বিতরণ মধুপুরের শালবনের ছায়ায় ঘেরা কালিয়াকুড়ি গ্রাম আজ এক অনন্য মানবতীর্থ আলোকদিয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৭ দোকান ও বিএনপি অফিস পুড়ে ছাই টাংগাইলে সূর্যমূখী চাষে কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি সম্ভাবনার আইসিটি খাতে ১০ লাখ তরুণ লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে-আইসিটি মন্ত্রী টাংগাইলে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে লেবুর দাম আকাশচুম্বি টাংগাইলে বেড়েছে লেবুর চাহিদা ও দাম

টাংগাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সংস্কার কর্মসূচির কাজ না করেই টাকা উত্তোলনের অভিযোগ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচিতে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়। ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ না করেই লাখ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) একরামুল হক এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির একাধিক চেয়ারম্যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ ও মাদ্রাসার গেইট সংস্কারের জন্য একাধিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। তবে বাস্তবে অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ না করেই বরাদ্দকৃত অর্থ তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কাকুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মকবুরের বাড়ি থেকে হেলালের বাড়ি পর্যন্ত সড়কে মাটি ভরাট ও ইটের সলিংয়ের জন্য প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য কামাল মোল্লা হলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তায় কোনো কাজই করা হয়নি। অথচ বরাদ্দের প্রায় পুরো টাকাই উত্তোলন করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াকুব আলী জানান, ছয় মাস আগে কাজের কথা শুনলেও এখনো বাস্তবে কোনো অগ্রগতি নেই।

একই ইউনিয়নের দক্ষিণ গয়লা হোসেন দাখিল মাদ্রাসার প্রধান গেইট সংস্কার ও গ্রিল নির্মাণের জন্য ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পটির চেয়ারম্যান ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন। অভিযোগ রয়েছে, কাজ সম্পন্ন না করেই পুরো অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।

এছাড়া, আমিনুরের বাড়ি থেকে ঠান্ডুর বাড়ি পর্যন্ত সড়কে গাইড ওয়াল ও মাটি ভরাটের জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লাখ টাকার কাজও বাস্তবে হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই অভিযোগ উঠেছে, পূর্ব দেলদা হাটখোলা থেকে মান্নানের বাড়ি পর্যন্ত সড়কের ক্ষেত্রেও,যেখানে আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও সামান্য মাটি ফেলা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কাজ হয়নি।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য কামাল মোল্লা স্বীকার করেছেন যে, তিনি পুরো টাকা উত্তোলন করেছেন, তবে এখনো কাজ শুরু করেননি। তিনি দাবি করেন, শিগ্‌গিরই কাজ সম্পন্ন করা হবে।

অন্যদিকে জয়নুল আবেদীন বলেন, তিনি বরাদ্দের অর্ধেক টাকা পেয়েছেন এবং দ্রুত কাজ শেষ করার আশ্বাস দেন।

তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) একরামুল হক দাবি করেছেন, অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যেগুলো বাকি রয়েছে, সেগুলোর অর্থ ফেরত পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কাজ না করে কেউ টাকা নেয়নি, এবং এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।

এদিকে স্থানীয়দের প্রশ্ন, কাজ না করে কিভাবে টাকা উত্তোলন হলো? বিষয়টি নিয়ে দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102