মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৪জন নিহত কেন্দ্রীয় যুবদলের মুন্না-নয়ন পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে মধুপুরে আনন্দ মিছিল টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মির্জাপুরে বস্তবন্দি লাশের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে
ফাইল ছবি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গত ২০ এপ্রিল বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর গলিত লাশের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হত্যার সময় ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলেও নিশ্চিত করা হয়।হত্যার পর লাশ বস্তাবন্দি করে উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের গুনটিয়া গ্রামের লৌহজং নদীর পাড়ে পুঁতে রাখা হয়।

এসময় মাটি খুঁড়ে বস্তাটির মুখ খুললে ওই নারীর গলিত লাশ দেখতে পায় পুলিশ। পরে লাশটি বস্তা থেকে বের করার সময় ওই নারীর পেট থেকে একটি মৃত ছেলে সন্তানের অস্বাভাবিক গর্ভপাত হয়।
নিহত ওই নারীর বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। লাশ পচে যাওয়ায় আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গার প্রিন্ট) সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

ডিএনএ এবং অন্যান্য পরীক্ষার জন্য কিছু নমুনা রাখা হয়েছে। এসব নমুনা ঢাকায় পরীক্ষার জন্য ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে।

পরিচয় না পাওয়ায় তাকে বেওয়ারিশ হিসেবে মির্জাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপে পোস্ট নিয়ে তৈরি হয়েছে আলোড়ন। এসব পোস্টে দাবি করা হয়, ওই নারীকে ধর্ষণের পর পেটের বাচ্চাসহ হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি করে পুঁতে রাখা হয়েছিল। কিছু পোস্টে বলা হয়, ধর্ষণের একপর্যায়ে গর্ভপাতে শিশু ভূমিষ্ঠ হলে তাকেসহ মাকে খুন করা হয়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সাদেকুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, রিপোর্ট অনুযায়ী ওই নারী ধর্ষণের শিকার হননি। তাকে অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
লাশটি পচে যাওয়ায় ওই নারীর পেট থেকে অস্বাভাবিক গর্ভপাত হয়। এছাড়াও ধর্ষণের পর কোনো নারী প্রসব করলে তখন ধর্ষণের আলামত থাকে না।

অপরদিকে হত্যার বিষয়টিকে এড়িয়ে গিয়ে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কেবল ‘ধর্ষণ’-এর তথ্যটিকে ‘বিভ্রান্তিমূলক, বীভৎস ও মনগড়া অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছে মির্জাপুর থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়- নারী ও নবজাতকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার সংক্রান্ত বিষয়ে বিভ্রান্তিমূলক, বীভৎস ও মনগড়া অপপ্রচার চালানো হয়েছে। বিষয়টি মির্জাপুর থানা পুলিশের নজরে এসেছে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, স্থানীয় এক গ্রাম পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করেছেন। মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আর ওই নারীর লাশ উদ্ধারের সময় অস্বাভাবিক গর্ভপাত হয়। ধারণা করা হচ্ছে ওই নারীকে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হত্যা করে বস্তাবন্দি করে পুঁতে রাখা হয়।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102