মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল মধুপুরে বিভিন্ন এতিমখানায় খেজুর বিতরণ মধুপুরের শালবনের ছায়ায় ঘেরা কালিয়াকুড়ি গ্রাম আজ এক অনন্য মানবতীর্থ

টাংগাইলের ছয় উপজেলায় ৩০ হাজার মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
  • ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে যমুনাসহ সবক’টি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে, ঝিনাই নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১০০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে ও ধলেশ্বরী নদীর পানি ১৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার গোপালপুর, ভূঞাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। সড়ক ভেঙে ও বাঁধ উপচে প্রতিদিনই প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। পানির তীব্র স্রোতে ভূঞাপুর উপজেলার কয়েড়া এলাকায় সড়ক ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের। বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ের মাঠে বন্যার পানি উঠায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় জেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার জমির ফসল তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে আউশ ধান, পাট, তিল ও সবজি। পানি দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা যাবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, টাঙ্গাইলে সবক’টি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনা, ঝিনাই ও ধলেশ্বরীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, আগামী ৯ই জুলাই পর্যন্ত নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। এরপর থেকে পানি কমা শুরু হবে। আর যেসব এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে সেসব এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102