মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল মধুপুরে বিভিন্ন এতিমখানায় খেজুর বিতরণ মধুপুরের শালবনের ছায়ায় ঘেরা কালিয়াকুড়ি গ্রাম আজ এক অনন্য মানবতীর্থ

প্রাকৃতিক বন ধ্বংস হওয়ায় শটি ফুল এখন বিলুপ্তির পথে

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

একসময় শাল-গজারি বনের অলংকার ছিল শটি ফুল বা বুনো হলুদ। শত শত শটি ফুল শালবনে মুগ্ধতা ছড়াত। শালবনের পাশ দিয়ে গেলেই এ ফুলের সৌন্দর্যে মন ভরে যেত। কালের পরিক্রমায় এই ফুল ও গাছটি এখন তেমন আর চোখে পড়ে না।

প্রাকৃতিক বন ধ্বংস হওয়ায় শটি ফুল এখন বিলুপ্তির পথে।তবে বন ধ্বংসের মাঝেও ঘাটাইলের কিছু কিছু জায়গায় কিছু শাল-গজারি দাঁড়িয়ে আছে। সেই সব জায়গায় গিয়ে দেখা মিলবে সাদা, গোলাপি ও বেগুনি রঙের এই ফুলটি।

একসময় পথের ধারে প্রাকৃতিকভাবে এই ফুল ফুটে থাকতে দেখা যেত।

কিন্তু এখন আর সেটি দেখা যায় না। শটি ফুল বা উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম কুরকুমা জেওদোরিয়া। শটি দেখতে হলুদ গাছের মতোই। তাই একে বুনো হলুদও বলা হয়।
এটি বর্ষজীবী গুল্ম বীরুৎ শ্রেণির গাছ। বছরের বেশিরভাগ সময় শটি ফুলের অস্তিত্ব দেখা যায় না। বছরের দীর্ঘ সময় এটি মাটির নিচে শীতঘুমে থাকে।বসন্তের শেষ দিকে বা গ্রীস্মের শুরুতে সামান্য বৃষ্টিতে মাটি ফুঁড়ে শটি ফুল বের হয়। তখন শালবনের ঝোপঝাড় লাল, বেগুনি, হলুদ ও গোলাপি রঙের শটি ফুলের আভায় সুশোভিত হয়ে ওঠে।

ফুল ফোঁটার পর গাছে পাতা হয়। পাতা বেশি দিন স্থায়ী হয় না। মাটির নিচে শুধু কন্দ থাকে। কন্দ মাটির নিচে আদা বা হলুদের মতো সমান্তরালভাবে ছড়িয়ে থাকে। পরের বছর একইভাবে ফুল বের হয়। এভাবেই চলে শটি ফুলের জীবনচক্র। শাল-গজারি বনের ভেতর নীচু জমিতে শটি ফুল বেশি জন্মে।

বনের বাসিন্দা বৃক্ষপ্রেমী শাহজাহান কবিরাজ বলেন, সামাজিক বনায়নের ফলে প্রাকৃতিক বন ধ্বংস হচ্ছে। না চেনার কারণে আমরা অনেকেই ঝোপঝাড় নিধনের নামে অনেক মূল্যবান বৃক্ষ কেটে ধ্বংস করি। পাহাড়ে নানামুখী ফসলের আবাদ বৃদ্ধি পাওয়ায় নানা ঔষধি গুণ সমৃদ্ধ দৃষ্টিনন্দন শটি ফুল গাছ হারিয়ে যাচ্ছে।

পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, শটি জয়েন্টের প্রদাহ ও ব্যথা দূর করে, শরীর থেকে টক্সিক অপসারণ করে, ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন চর্মরোগের জন্য এটি কার্যকর। অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল হিসেবেও কাজ করে। শটি গাছের কন্দ শুকিয়ে পরিষ্কার করে গুঁড়ো করে এক ধরনের ময়দার মতো খাদ্য তৈরি করা হয়, যা আঞ্চলিকভাবে পালো নামে পরিচিত। শটির তৈরি এই পালো সেবনে পাকস্থলির স্বাস্থ্য ও হজম শক্তি ঠিক থাকে। এছাড়া ডায়রিয়া ও হজমের সমস্যাগুলো নিরাময় করে। শটি দিয়ে তৈরি বার্লি শিশুদের জন্য একটি আদর্শ খাবার।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102