মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৪জন নিহত কেন্দ্রীয় যুবদলের মুন্না-নয়ন পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে মধুপুরে আনন্দ মিছিল টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

টাংগাইলে মুষ্টিচালের টাকা দিয়ে রাস্তা নির্মাণ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৪৬০ বার পড়া হয়েছে

মুষ্টিচাল তুলে সেটি বিক্রি করে প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করেছেন টাঙ্গাইলের গবড়া ও ডুবাইল গ্রামের বাসিন্দারা। এ নিয়ে দুই গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি কমেছে।

স্থানীয়রা জানান, জেলার মির্জাপুর-দেলদুয়ার উপজেলার শেষ প্রান্তে দুটি গ্রাম গবড়া ও ডুবাইল। স্বাধীনতার পর এ দুটি গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়া দেখি নাই। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তা পানিতে তলিয়ে যায়। ৪-৫ মাস রাস্তায় পানি থাকে। ছেলে-মেয়েদের স্কুল-কলেজ ও অসুস্থ মানুষ নিয়ে যেতে কষ্ট হয়। এ রাস্তায় কোনো সরকারি অনুদান আসেনি। আমরা এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে রাস্তা নির্মাণ করছি। পাঁচ বছর ধরে সাপ্তাহিক মুষ্টি চাল তুলে সেটি বিক্রি করে গত দুই মাস ধরে এক কিলোমিটার রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে।

দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের সুজাত আলী বলেন, গ্রাম দেলদুয়ারের শেষ প্রান্তে হওয়ায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বিভিন্ন মানুষের কাছে আমরা ঘুরাফেরা করছি কোনো কাজ হয়নি। তাই নিজেরা মুষ্টি চাল তুলে সেটি বিক্রি করে এক কিলোমিটার রাস্তায় মাটি ফেলেছি।

মির্জাপুর উপজেলার গবড়া গ্রামের আতিক মিয়া বলেন, কারও কাছে সহযোগিতা না পেয়ে যুব সমাজ ও মুরুব্বিরা মিলে নিজেদের রাস্তা নির্মাণ কিছুটা করতে পারছি। নিজেরাই মাটি কেটে রাস্তায় ফেলছি। মুষ্টি চাল বিক্রির টাকা ও গ্রামের মানুষের সহযোগিতায় রাস্তা কিছুটা সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। কাজ করতে গিয়ে যে টাকা ছিল সেটি শেষ হয়ে গেছে। টাকা শেষ হওয়ার কারণে বাকি কাজ সম্পূর্ণ করতে পারছি না।

এ ব্যাপারে দেলদুয়ার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রওশন করিম বলেন, চাল তুলে সেটি বিক্রি করে রাস্তা নির্মাণ করছে এ বিষয়টি আমার জানা নাই। কখনো রাস্তার বিষয়ে কেউ আসেনি। রাস্তার বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে তারপর বলতে পারব।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102