মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল মধুপুরে বিভিন্ন এতিমখানায় খেজুর বিতরণ মধুপুরের শালবনের ছায়ায় ঘেরা কালিয়াকুড়ি গ্রাম আজ এক অনন্য মানবতীর্থ

টাংগাইলে ৬৫০টি শনাক্তকরণ কিট সরবরাহ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫
  • ৬৩৬ বার পড়া হয়েছে

করোনা ভাইরাসে নতুন ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আগেই টাঙ্গাইলে ৬৫০টি শনাক্তকরণ কিট সরবরাহ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

সোমবার(২৩ জুন) টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ওই কিট সরবরাহ করা হয়। নতুন সরবরাহ পাওয়ার পর করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রথম দিনে মর্জিনা (৪০), সাহেরা (৬৫) ও হারাধন পাল (৬৫) হাসপাতালে আসেন। এ তিন জনের করোনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। গত ৪৮ ঘণ্টায় আর কোনো টেস্ট করা হয়নি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রায় প্রতিদিনই করোনার উপসর্গ নিয়ে রোগী হাসপাতালে আসে। জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কিট সরবরাহ না থাকায় রোগীদের জেলা সদরে পাঠানো হয়। ফলে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে করোনার উপসর্গ রোগীদের পরীক্ষা করা হচ্ছে।

নাগরপুর উপজেলার জাহানারা আক্তার, জাহাঙ্গীর আলম ও সানোয়ার জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে তারা প্রথমে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে পরীক্ষা করার কিট না থাকায় তাদেরকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। উপজেলা থেকে টাঙ্গাইল শহরের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে তারা জেলা সদরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান জানান, করোনা পরীক্ষার জন্য উপজেলা পর্যায়ে এখনও কিট সরবরাহ করা হয়নি। প্রায় দিনই করোনা উপসর্গ নিয়ে রোগীরা আসেন। কিট না থাকায় তাদের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুস জানান, হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের সনাক্তকরণের জন্য যাবতীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনার নতুন ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া যায়নি। প্রথম দিনে ৩ জন টেস্ট করেছে তাদের প্রত্যেকেরই করোনা নেগেটিভ এসেছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন এফএম মাহবুবুল আলম জানান, জেলার জনসংখ্যা বিবেচনায় ১৯ হাজার ৫০০ কিটের চাহিদাপত্র স্বাস্থ্য অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৬৫০টি কিট পাওয়া গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে এখনও করোনা পরীক্ষার  কিট পাঠানো হয়নি। টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে করোনার কিট আছে। উপজেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেলা সদরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102