টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চোর সন্দেহে হাসমত উল্লাহ হাসু নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) আটকদের টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
আটকরা হলেন উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের নাহালি গ্রামের রমজান আলীর ছেলে রাশেদুল ইসলাম (৩৬) ও একই গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ইয়ামিন ইসলাম (৩০)।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের নাহালি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। পরে হাসুকে আহত অবস্থায় কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে রাত ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের নাহালি গ্রামের রমজান আলীর ছেলে রাশেদুল ইসলাম প্রবাসে থাকাকালীন তার স্ত্রীর সাথে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাজিমারা গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে হাসমত উল্লাহ হাসুর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। হাসু ওই সময় টাঙ্গাইল সদরে আইএফআইসি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন।
তারা আরো জানায়, রাশেদুল দেশে আসার পরও হাসু তার স্ত্রীর সাথে যোগাযাগ করার চেষ্টা করে। পরে স্বামী-স্ত্রী পরিকল্পনা করে হাসুকে দেখা করতে বলে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে রাশেদুলের স্ত্রীর সাথে দেখা করতে গেলে রাশেদুল ইসলাম, ইয়ামিন ইসলাম ও মেহেদি হাসান হাসুকে চোর সন্দেহে আটক করে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টার দিকে হাসুর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় রাতেই পুলিশ রাশেদুল ও ইয়ামিনকে আটক করে।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘পরকীয়া সম্পর্কের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই হত্যার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক দু’জনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’