মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল মধুপুরে বিভিন্ন এতিমখানায় খেজুর বিতরণ মধুপুরের শালবনের ছায়ায় ঘেরা কালিয়াকুড়ি গ্রাম আজ এক অনন্য মানবতীর্থ

মির্জাপুরে বনাঞ্চলের পাশে অবৈধভাবে কয়লা তৈরির চুল্লি গড়ে উঠার অভিযোগ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়নে সরকারি বনাঞ্চলের আশপাশে অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির চুল্লি গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব চুল্লিতে কাঠ পোড়ানোর ফলে একদিকে যেমন বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

গতকাল রোববার (২১ ডিসেম্বর) মির্জাপুর উপজেলা বন বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বন বিভাগ জানায়, মির্জাপুর উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার ৮০০ হেক্টর সরকারি বনভূমি রয়েছে। এই বনাঞ্চলে গজারি, গর্জন, সেগুন, আকাশমনি, পিকরাশি সহ নানা প্রজাতির মূল্যবান গাছ রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বনাঞ্চল ও এর আশপাশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

আজগানা ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সরকারি বিধান অনুযায়ী বনাঞ্চলের আশপাশের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাটা, করাতকল ও কয়লা তৈরির চুল্লি স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। অথচ স্থানীয় কিছু অসাধু চক্রের যোগসাজশে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা উৎপাদন করা হচ্ছে।

তাদের অভিযোগ, গায়রাবেতিল, নয়াপাড়া, পেকুয়া, মুচিরচালা, বাঁশতৈল, বংশীনগর, বালিয়াজান, আজগানা, কুড়িপাড়া, পাথরঘাটা, মহিষবাথান, মইষারচালা, তরফপুর, খুইদারচালা, ঘাগড়াই কুড়াতলী ও খাটিয়ার হাটসহ বিভিন্ন এলাকায় বনের আশপাশে শতাধিক কয়লার চুল্লি সক্রিয় রয়েছে।

প্রতিদিন এসব চুল্লিতে ৫–৬ টন কয়লা উৎপাদন হচ্ছে এবং কাঠ পুড়িয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে চোরাকারবারিরা।

কয়লা তৈরির সময় নির্গত বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বনজ সম্পদ ধ্বংসের পাশাপাশি আশপাশের গ্রামের গাছপালা ও ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধোঁয়ার কারণে বিভিন্ন রোগেও আক্রান্ত হচ্ছেন এলাকার মানুষ।

বন বিভাগের অভিযান অব্যাহত

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল বন বিভাগ, বাঁশতৈল-মির্জাপুর রেঞ্জের আওতাধীন হাটুভাঙ্গা বিট কর্মকর্তা জানান, বিভাগীয় বন সংরক্ষক ও সহকারী বন সংরক্ষকের নির্দেশনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় গায়রাবেতিল, নয়াপাড়া, বাঁশতৈল, বংশীনগর, আজগানা, কুড়িপাড়া, পাথরঘাটা, তরফপুর ও খাটিয়ারহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি অবৈধ কয়লার চুল্লি ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাঁশতৈল রেঞ্জের কর্মকর্তা মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, “বনাঞ্চলের ভেতরে বা আশপাশে অবৈধভাবে কয়লার চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির কোনো সুযোগ নেই। খবর পেলেই মোবাইল টিমের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে এসব চুল্লি ধ্বংস করা হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102