মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ

মির্জাপুরে শ্রমিক দল সভাপতির দখল করা জমিতে উচ্ছেদ অভিযান

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কাঁচাবাজারের জায়গা রাতের আঁধারে দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি কুব্বত আলী মৃধার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ পেয়ে গত শনিবার (৩০ মে) দুপুরে উচ্ছেদ অভিযান চালায় প্রশাসন। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক আজিজের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এর আগে গত বুধবার রাতে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জায়গা দখল করে ছাপড়াঘর নির্মাণ করা হয়। এ বিষয়ে হাট ইজারাদার কমিটি উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাঁচাবাজারের জমি প্রতি বছর সরকার নির্ধারিত নিয়মে ইজারা দেয় পৌরসভা। সেখানে ইজারাদারের অনুমতি নিয়ে বিপলু বাকালী, নিখিল বাকালী ও কানাই বাকালী কাঁচামালের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বুধবার রাতে তারা ব্যবসা গুটিয়ে বাড়িতে গেলে ২টার দিকে কুব্বত আলী মৃধা ও তার চাচাতো ভাই শহীদ মৃধাসহ কয়েকজন সেখানে সিমেন্টের খুঁটি পুঁতে টিনের ছাপড়া ঘর নির্মাণ করেন।

এ ঘটনায় ইজারাদার কমিটির সভাপতি রাঙা সিকদার ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সিকদার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

তবে অভিযুক্ত কুব্বত আলী মৃধা বলেন, ‘আমাদের পূর্ব পুরুষের নামে এই দাগে সাড়ে তিন শতাংশ জমির কাগজপত্র রয়েছে। হালরেকর্ডও আমাদের নামে হয়েছে। এর মধ্যে এক শতাংশ আমরা দখলে রেখেছি। বাকি আড়াই শতাংশের মধ্যে ঘর নির্মাণ করেছিলাম।’

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক আজিজ বলেন, ‘পেরিফেরির জমি ব্যক্তি মালিকানাধীন হলেও স্থাপনা নির্মাণ করতে হলে সরকারের পূর্ব অনুমতি লাগে। তারা কোনো অনুমতি ছাড়া স্থাপনা নির্মাণ করায় তা ভেঙে দেওয়া হয়েছে।’

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102