মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ

গোপালপুরে জমি কিনে চরম বিপাকে পড়েছেন এক কলেজ শিক্ষক ও তার পরিবার

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৭৫ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় জমি কিনে চরম বিপাকে পড়েছেন এক কলেজ শিক্ষক ও তার পরিবার। অভিযোগ উঠেছে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রভাবশালীরা তাদের জমি দখল করে ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে, গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শিমলা পাড়া মৌজায় সাড়ে ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন সালমা সুলতানা ও তার স্বামী কলেজ শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম। পরিবারটির দাবি, স্থানীয় হাবিবুল্লাহ বাহার ও তার সহযোগীরা হঠাৎ করেই জমিটি নিজেদের বলে দাবি করে দখলের চেষ্টা শুরু করে। বাঁধা দিতে গেলে একাধিকবার হামলা ও ভাঙচুরের শিকার হয় শিক্ষক পরিবারটি। স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক বসানো হলেও কোনো সমাধান হয়নি। থানা পুলিশসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানালেও তারা প্রতিকার পাননি বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

পরিস্থিতির অবনতি হলে গত ১৮ ডিসেম্বর সালমা সুলতানা আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালত জমিটির ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে সকল ধরনের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত হাবিবুল্লাহ বাহার ও তার সহযোগীদের আগামী ২৫ জানুয়ারি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে ভুক্তভোগী সালমা সুলতানা ও তার পরিবারের অভিযোগ, আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা অমান্য করে এখনো জমিতে ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালীরা। প্রতিবাদ করতে গেলে দেওয়া হচ্ছে হুমকি এমনকি হামলার ঘটনাও ঘটে এসময় আহত হয় সালমা সুলতানার স্বামী আশরাফুল ইসলাম।

এ নিয়ে ঘটনাস্থলে গণমাধ্যমকর্মীরা গেলে অভিযুক্তদের লোকজন তাদের দিকে তেড়ে আসে এবং তাদের কাজে বাধা দেয়।

এদিকে প্রভাবশালীদের ভয়ে এলাকার সাধারণ মানুষও প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না বলে জানান স্থানীয়রা।

গোপালপুর হেমনগর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুস সালাম বলেন, আদালতের নির্দেশনার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগ থাকলে ভুক্তভোগী পরিবারকে পুনরায় আদালতের শরণাপন্ন হতে বলা হয়েছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102