আগামী জাতীয় শিক্ষাক্রমে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

১ আগস্ট বিকেলে টাঙ্গাইল শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আগামী জাতীয় শিক্ষাক্রমে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সেখানে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপরে ইতোমধ্যে পাঠ্যপুস্তক তৈরি করা হয়েছে। এসব পাঠ্যপুস্তক পড়ে আমাদের সন্তানরা লিখিত পরীক্ষা দেবে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আরো বলেন, প্রত্যেকটি জেলায় জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ করা হবে। ইতোমধ্যে এই অর্থবছরে আমরা ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পর্যায়ক্রমে ৫ বছরে আমরা ৬৪টি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ করবো। স্পোর্টস ভিলেজগুলোতে ফুটবল ক্রিকেটসহ আন্তর্জাতিক মানের সকল সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশে ৫০৩টি মিনি স্টেডিয়াম হবে। দ্বিতীয় ধাপের আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমানে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন যত দ্রুত সহযোগিতা করবে, তত দ্রুত কাজ বাস্তবায়ন হবে। তখন সারা দেশের মতো গোপালপুর, ভূঞাপুরসহ বিভিন্ন উপজেলাই মিনি স্টেডিয়াম হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী, চার হাজার ৫৯৩টি ইউনিয়নের খেলা উপযোগী মাঠ তৈরি করতে চাই। এছাড়াও খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা সুস্থ জাতি গড়ে তুলতে চাই। মুঠোফোনসহ বিভিন্ন আসক্ত থেকে আমাদের সন্তানদের দূরে রাখতে চাই। সর্বোপরি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই। খেলা ধূলার মাধ্যমে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় আমূল পরিবর্তন করতে চাই।

খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু, সংসদ সদস্য রবিউল আউয়াল লাবলু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মিয়া প্রমুখ। খেলায় ১-০ গোলে গোপালপুর উপজেলাকে হারিয়ে সদর উপজেলা চ্যাম্পিয়ান হয়।

প্রায় দুই যুগ পর টাঙ্গাইল শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে অন্তত লক্ষাধিক দর্শক খেলা উপভোগ করেন।