স্বামীর পরিবারের দাবি আত্মহত্যা, বাবার অভিযোগ হত্যা

সখীপুরে গৃহবধূ লাভলীর মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল

টাঙ্গাইলের সখীপুরে গৃহবধূ লাভলী আক্তারের মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। স্বামীর পরিবারের দাবি, লাভলী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। তবে নিহতের বাবা শামসুল হকের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা।

গত ৫ আগস্ট সখীপুর উপজেলার কালমেঘা পদ্মপাড়া গ্রাম থেকে লাভলী আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে সখীপুর থানা পুলিশ। নিহত লাভলী ওই গ্রামের ছানোয়ার হোসেনের স্ত্রী এবং পার্শ্ববর্তী ভালুকা উপজেলার কাশর গ্রামের শামসুল হকের মেয়ে।

নিহতের বাবা শামসুল হক জানান, গত ৪ আগস্ট রাত ১টার দিকে তার মেয়ে মারা গেলেও পরদিন সকাল ১০টার দিকে তিনি মৃত্যুর খবর পান। তাঁর দাবি, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে লাভলীর ঘাড়, থুতনি, কানের পাশে ও বগলের নিচে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

শামসুল হক বলেন, ঘটনার তিন দিন আগে লাভলী স্বামীর পকেট থেকে না বলে ৫০০ টাকা নিয়েছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়াঝাটি চলছিল। তাঁর অভিযোগ, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই স্বামী ছানোয়ার হোসেন লাভলীকে মারধর করে হত্যা করেছেন এবং পরে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়ার নাটক সাজিয়েছেন।

তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট বছর আগে সখীপুর উপজেলার কালমেঘা পদ্মপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে ছানোয়ার হোসেনের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ভালুকা উপজেলার কাশর গ্রামের শামসুল হকের মেয়ে লাভলী আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের ছয় বছর বয়সী সামিয়া আক্তার নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

এ বিষয়ে পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে লাভলীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

 

ভিডিও সংবাদ