মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কেন্দ্রীয় যুবদলের মুন্না-নয়ন পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে মধুপুরে আনন্দ মিছিল টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট

টাঙ্গাইলে কনকনে ঠাণ্ডায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী বেড়েছে

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৫২০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে এক সপ্তাহ ধরে কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু বেশি। আক্রান্তরা কেউ কেউ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে। অনেকেই জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

এ ছাড়া অনেকে ঠান্ডা, জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। রোগীর চাপ সামাল দিতে চিকিৎসকদের হিমসিম খেতে হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সরেজমিন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ১২ আসনের বিপরীতে দুপুর পর্যন্ত ভর্তি রয়েছে ৯৩ জন। তাদের মধ্যে শিশু বেশি। এক শয্যায় গাদাগাদি করে দুই জন চিকিৎসা নিচ্ছে। অনেকে মেঝেতে থাকছে।

নাগরপুর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রুমিয়া খাতুন বলেন, ‘আমার দেড় বছরের নাতি তিন দিন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। সোমবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। তবে সিট না পেয়ে বারান্দার মেঝেতে থাকতে হচ্ছে। ঠান্ডায় রাতে বেশি কষ্ট হয়। বেশিরভাগ ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়।’

সদর উপজেলার করটিয়া থেকে আসা মেঘনা আক্তার বলেন, ‘আমার মেয়েকে দুই দিন হাসপাতালে ভর্তি করেছি। ওয়ার্ডে পা ফেলার জায়গা নেই। মেঝেতে থাকায় আমাদের বেশি কষ্ট হচ্ছে। ওয়ালের পাশের ড্রেন থেকে দুর্গন্ধ আসছে। সব ওষুধ হাসপাতাল থেকে দিলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সরকারি খরচে হাসপাতালে থেকে করতে পারলে আমাদের মতো সাধারণ রোগীদের উপকার হতো।’

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান বলেন, হাসপাতাল ২৫০ শয্যার হলেও সব সময় পাঁচ শতাধিক রোগী ভর্তি থাকে। গত ১৬ দিনে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৬৭৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। অনেক ওষুধ সাপ্লাই নেই। সেগুলো রোগীদের বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল প্রতিনিয়ত পরিচ্ছন্ন করা হয়। ডায়রিয়ার হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে বার বার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। এছাড়া মুখে মাস্ক ব্যবহার করারও পরামর্শ দেন তিনি।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102