মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল মধুপুরে বিভিন্ন এতিমখানায় খেজুর বিতরণ মধুপুরের শালবনের ছায়ায় ঘেরা কালিয়াকুড়ি গ্রাম আজ এক অনন্য মানবতীর্থ

টাংগাইলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের নিয়ে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে সদর উপজেলার বাগবাড়ি চৌবাড়িয়া যুব সমাজের উদ্যোগে তোরাপগঞ্জ স্কুলমাঠে এ খেলা আয়োজন হয়।

এসময় হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে উঠে খেলার মাঠ। দীর্ঘদিন পর এমন আয়োজন হওয়ায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নানা বয়সী মানুষ এ খেলা উপভোগ করেছেন।

আয়োজকরা জানান, ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা প্রায় বিলুপ্তির পথে। তাই নববর্ষ উপলক্ষে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের নিয়ে এই ব্যতিক্রমী খেলার আয়োজন করা হয়। বড়দের পাশাপাশি শিশু-কিশোরেরাও খেলা উপভোগ করেছে।

এদিকে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা চোখে কিছুই দেখতে না পেলেও শব্দের সাহায্যে প্রতিপক্ষকে পরাজয় করতে প্রাণপণ চেষ্টা করেন। খেলায় দুই দলে সাতজন করে অংশ নেন।

আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ। সভাপতিত্ব করেন কাতুলী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ মিয়া।

কয়েকজন দর্শনার্থী জাগো নিউজকে বলেন, দীর্ঘদিন পরে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের হাডুডু খেলা দেখতে পেয়ে আমাদের ভালো লেগেছে। আমরা চাই এমন খেলার আয়োজন আগামীতেও হোক।

আব্দুস ছাত্তার নামের এক দর্শনার্থী বলেন, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের হাডুডু সাধারণত দেখা যায় না। খেলা দেখে অনেক ভালো লাগছে। আমরা চাই প্রতিবছরই এমন আয়োজন করা হোক।

শিক্ষার্থী সুমাইয়া বলেন, মা-বাবার সঙ্গে খেলা দেখতে এসেছি। খুব উপভোগ করেছি।

আয়োজক কমিটি জানায়, পুরাতন ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য এমন আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102