মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল মধুপুরে বিভিন্ন এতিমখানায় খেজুর বিতরণ মধুপুরের শালবনের ছায়ায় ঘেরা কালিয়াকুড়ি গ্রাম আজ এক অনন্য মানবতীর্থ

গোপালপুরে মাদরাসা অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫
  • ৬১০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দুর্নীতির অভিযোগে, টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের সেনেরচর শাহসুফি সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামানকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। এরপর মাদ্রাসার প্যাডে ও স্ট্যাম্পে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিলাম লিখে স্বাক্ষর দেন অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান। গতকাল বেলা ১২টায়, মাদ্রাসা অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। পদত্যাগ পত্রে তিনি উল্লেখ করেন, আজকের মধ্যে নগদ ২০লাখ টাকা বুঝিয়ে দিয়ে অফিস ত্যাগ করবেন। এর মধ্যেই গোপালপুর থানা থেকে পুলিশ এসে অধ্যক্ষকে উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে যান। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, প্রিন্সিপাল স্যার অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং অন্য স্যারদের নামে মামলা করেছেন এবং নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে আসেন না। আমরা মাদরাসার টাকা ফেরৎ ও প্রিন্সিপালের পদত্যাগ চাই। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জুলফিকার হায়দার বলেন, বিষয়টি আমিও শুনেছি। তার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন সম্প্রতি দুই দফা তদন্ত করে। তদন্তে ৭ লক্ষ টাকা আত্মসাতের প্রমান মিলেছে। আরো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, ঠিকমতো ক্লাস হচ্ছেনা বলে ছাত্ররা আমাকে মাদরাসায় ডেকে নিয়ে যায়, আজকে মাদরাসায় যাওয়ার পর শিক্ষাথীরা অফিস কক্ষে তালা দিয়ে তাকে আটকে রাখে। পরে তিনি ট্রিপল নাইনে ফোন দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ইউএনও অফিসে নিয়ে আসেন। মাদ্রাসায় পুলিশ আসার আগে তিনি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এ ব্যপারে গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুহিন হোসেন বলেন দুর্নীতি প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102