টাঙ্গাইলের বাসাইলে কামরুজ্জামান নামের এক স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো সরকারি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা পরিষদ-সংলগ্ন গ্রামীণ ব্যাংকের পাশে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি জানতে পেরে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে গাছের গোড়া ভেতরে রেখে সড়ক ঘেঁষে টিন দিয়ে বেড়া দেওয়ায় বিষয়টি আলোচনায় আসে।
কামরুজ্জামান বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। কয়েক বছর ধরে তিনি উপজেলা পরিষদ-সংলগ্ন গ্রামীণ ব্যাংকের পাশে তার শ্বশুর ইদ্রিস আলীর জমিতে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন।
আরো পড়ুনঃ বাসাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পরিষদ সড়কের পাশে প্রায় ৪০ বছর আগে মেহগনি গাছের চারা রোপণ করা হয়। একই সময়ে উপজেলা পরিষদ-বাসাইল পূর্বপাড়া সড়কের পাশেও বেশ কিছু মেহগনি গাছের চারা রোপণ করা হয়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ইদ্রিস আলীর জমি ঘেঁষে সড়কের পাশে থাকা পুরোনো মেহগনি গাছটি ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি করেন জামাতা স্কুলশিক্ষক কামরুজ্জামান। পরে ওই দিন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী গাছটি কেটে দ্রুত সেখান থেকে নিয়ে যান। শুক্রবার সকালে গাছের গোড়া ভেতরে রেখে কামরুজ্জামান সড়ক ঘেঁষে টিনের বেড়া দিয়ে বাউন্ডারি তৈরি করেন। সরকারি গাছ কেটে বিক্রির ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে বেশ সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।
অভিযুক্ত স্কুলশিক্ষক কামরুজ্জামান বলেন, গাছটি আমার জমির মধ্যে রয়েছে। এজন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। ২৩ হাজার টাকায় গাছটি বিক্রি করেছি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিয়ান মুনসীফ বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, বিষয়টির ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী নিলামের মাধ্যমে পরিষদের গাছগুলো বিক্রি করা হয়। গাছ বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়।

