মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল

মির্জাপুরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪১৯টি ঘরের মধ্যে ১২০টি তালাবন্ধ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২২০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিনা মূল্যে পাওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪১৯টি ঘরের মধ্যে ১২০টিতেই কেউ না থাকায় তালা ঝুলছে। উপজেলার বানাইল ইউনিয়নের নরদানা গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ অধিকাংশ আশ্রয় প্রকল্পেই এই দৃশ্য দেখা গেছে।

বিগত সরকার উপজেলার ভূমিহীন-গৃহহীন ৪১৯ ভবঘুরে অসহায় পরিবারকে দুই শতক জমিসহ ঘর দিয়েছিল। কিন্তু অনেকেই এই সুযোগ পাওয়ার পরও আশ্রয়ণ প্রকল্পে না থেকে অন্যত্র থাকছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার ৫ নম্বর বানাইল ইউনিয়নের অধীনে নরদানা গ্রামে আশ্রয়ণের ২৯টি ঘর রয়েছে। সরেজমিনে ঐ এলাকায় গিয়ে ২২ টি ঘরে তালা ঝুলতে দেখা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, বন্ধ ঘরগুলোতে শুরু থেকেই কেউ থাকে না। মাসে দুই-একবার অনেক ঘরে লোক দেখা যায়। কেউ আবার মাসে একবার এসে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ নিয়ে যায়। একটি ঘরের মালিকানা এসিল্যান্ড অফিসের মাধ্যমে পরিবর্তন করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কেউ কেউ আশ্রয়ণের ঘর বিক্রি করে দেওয়ার পাঁয়তারাও করছেন। একই অবস্থা দেখা গেছে ১০ নম্বর গোড়াই ইউনিয়নের দেওহাটা আশ্রয়ণ প্রকল্পেও। এখানে ২০/২২ টি ঘরে তালা ঝুলতে দেখা গেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান বলেন, দুই-একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে বরাদ্দকৃত ঘরে লোকজন থাকে না বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তার মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। যদি কেউ ঘরে না থাকেন তবে বরাদ্দকৃত জমিসহ তার ঘর বাতিল করে অন্য হতদরিদ্রদের মধ্যে সেগুলো বরাদ্দ দেওয়া হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102