মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল

মধুপুরে বাড়ি উদ্ধারে ঘুরছেন মাদ্রাসা শিক্ষক

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৪১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দুই দশকের বেশি সময় আগে জমি ক্রয় করে বসবাস করছিলেন আনিছুর রহমান নামে এক মাদরাসার উপাধ্যক্ষ।

বাড়ি করা ওই জমির রেকর্ড, মাঠ পরচা, প্রিন্ট পরচা, নামজারি, খাজনা রসিদ, বাড়ির হোল্ডিং নম্বর এমনকি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগের মিটার পর্যন্ত আনিসুর রহমানের নামে। অথচ নিজেদের মালিকানা দাবি করে বাড়ি বেদখল করেছেন জমি বিক্রেতা প্রয়াত সাইদুর রহমান সাইদের ভাই আবুল হোসেন ও তার ছেলে রবিউল ইসলামসহ সন্তানরা।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতার প্রভাব খাটিয়ে ২০২১ সালে ছেলেমেয়েদের সাথে নিয়ে আনিছুর রহমানের বাড়ি দখলে নিয়েছেন আবুল হোসেন। ওই নেতার প্রভাবে ভুক্তভোগী থানায় মামলা পর্যন্ত করতে পারেননি। দখলদার আবুল হোসেন সম্প্রতি মারা গেছেন। তবে দখল করা বাড়িতে দুই বছর ধরে আবুল হোসেনের জামাতা বসবাস করছেন।

সরকার পতনের পর উপাধ্যক্ষ নিজ বাড়ি ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে সর্বশেষ পৌর প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করে সহায়তা প্রত্যাশা করছেন।

ভুক্তভোগী উপাধ্যক্ষ আনিছুর রহমান মধুপুর পৌর শহরের উত্তরা আবাসিক এলাকার কাজী পাড়ার বাসিন্দা। তিনি জানান, ২০০২ সালে সাইদুর রহমান সাইদ তার কাছে পৌনে তিন শতাংশ জমি বিক্রি করেন। সাব কওলা মূলে জমি নিয়ে তিনি একই সময়ে বাড়ি নির্মাণ করে ছেলেকে দেন। ছেলের পরিবার দুই দশক ধরে ওই বাড়িতে বসবাস করেছে। ২০২১ সালে জমি দাতার ভাই আবুল হোসেন সাবেক পৌরমেয়র সিদ্দিক হোসেন খানের প্রভাব খাটিয়ে হঠাৎ বাড়ি দখল করে নেন।

স্থানীয়রা জানান, এর আগেও আবুল হোসেন ও তার সন্তানরা ওই জমির মালিকানা দাবি করেন। স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ বৈঠকে প্রমাণিত হয় প্রকৃত মালিক আবু সাইদের কাছ থেকে জমি কেনেন আনিছুর।

দুই ভাইয়ের বিরোধপূর্ণ জমির নিষ্পত্তির জন্য পৌরসভার এক বৈঠকে একটি নাদাবি দলিল হয়। নিজ নিজ অংশে তারা অবস্থান করবেন মর্মে স্বাক্ষর করেন তারা। বিষয়টি মীমাংসিত হয়ে ছিল। কিন্তু আবু সাইদ মারা যাওয়ার পর আবুল হোসেন নিজ স্বাক্ষরিত দলিল অস্বীকার করেন। আনিছুর রহামনের কেনা জমির ওপর নির্মিত বাড়ি দখল করে নেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102