মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল

সখীপুরে মিথ্যা মামলা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২২৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল বনবিভাগের সখিপুর উপজেলার বহেড়াতলী রেঞ্জের সদর বিটের বিরুদ্ধে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আ.লীগ পরিবারের নামে সামাজিক বনায়নের একাধিক প্লট বরাদ্দ ও নিরীহ সাধারন লোকদের নামে মিথ্যা বন মামলা দায়েরের প্রতিবাদে ২০ অক্টোবর সকাল সাড়ে দশটার সময় বেড়ীখোলা এলাকাবাসী মানবন্ধন করেছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,আবু সামাদ.রউফ চাঁন, শফিকুল, রাসেল, হামিদুল, মাজেদা, নুরজাহান, শিল্পী, লুৎফর, নুরুল ইসলাম, সাবিনা, খোদেজা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন,বেড়ীখোলা এলাকার আজমত আলীর ছেলে হুরমুজ বনবিভাগের সাথে দালালী করে স্থানীয় আ.লীগ পরিবারের নামে ৩০/৪০টি বনবিভাগের সামাজিক বনায়নের প্লট বরাদ্দ নিয়েছে। এমনকি কিছুদিন আগে শাহেদ ও তার পিতা আজাহারের ট্রাফি-ট্রাক্টর ভর্তি শাল-গজারি গাছ বনবিভাগের লোকজন আটক করার পর তাদের নামে বন মামলা না দিয়ে বেড়ীখোলা এলাকার মাহা ফকিরের ছেলে রউফ চাঁন,নুরুল ইসলামের ছেলে রাজিব,আমির আলীর ছেলে শাহজালাল,তুলা মিয়ার ছেলে নাসির,আব্দুর রহিমের ছেলে আনোয়ারের নামে মিথ্যা বন মামলা দায়ের করে জেল খাটিয়েছে। এ বিষয়ে বেড়ীখোলা এলাকার বাসিন্দা বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে মিথ্যা মামলা,বনের প্লট বঞ্চিত লোকের তালিকা,পত্রিকার কাটিংসহ প্রধান বনসংরক্ষকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে।এ ব্যাপারে বহেড়াতলী রেঞ্জ অফিসার একেএম আমিনুর রহমান বলেন, প্লটগুলো ১০/১১বছর আগে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে,তখন রেঞ্জ অফিসার ছিল এএইচএম এরশাদ হোসেন। আর কোন মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়নি,সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ৬জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102