মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৩:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

মধুপুরে সংবাদের জেরে নদীর কিনার থেকে লাশ উত্তোলন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩০৫ বার পড়া হয়েছে

মধুপুরে আত্মহত্যাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ তুলে এক কিশোরীর লাশ সামাজিক কবরস্থানে দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে বাধ্য হয়ে ওই কিশোরী গৃহবধূর স্বামীর পরিবার চাপড়ী বাজারসংলগ্ন বংশাই নদীর ধারে মরদেহ দাফন করে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত কিশোরী গৃহবধূর নাম সুমাইয়া খাতুন (১৭)। তিনি উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের দড়িহাতীল গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে রাসেল মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে সুমাইয়া খাতুন আত্মহত্যা করেছে বলে স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে মধুপুর থানায় অভিযোগ করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বামী রাসেল মিয়ার বাড়িতে আনা হলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নিহতের বাবার বাড়ির লোকজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হলে একপর্যায়ে বাবার বাড়ির লোকজন স্বামীর বাড়ি ত্যাগ করে চলে যায়।

এরপর সমাজের একাংশ আত্মহত্যার অভিযোগ তুলে মৃতদেহ সামাজিক কবরস্থানে দাফন করতে বাধা দেয়। এতে করে দাফন নিয়ে চরম বিপাকে পড়ে স্বামীর পরিবার। শেষ পর্যন্ত কোনো উপায় না পেয়ে তারা চাপড়ী বাজার সংলগ্ন বংশাই নদীর ধারে লাশ দাফন করে।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মধুপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ তালুকদার বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও ঘৃণ্য। একজন মৃত মানুষকে দাফনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা মানবিকতার চরম লঙ্ঘন। সমাজবাসীর আরও সচেতন হওয়া উচিত ছিল।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সচেতন মহল মনে করছে, মৃত্যু যেভাবেই হোক না কেন একটি মরদেহের প্রতি এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানায় এলাকাবাসীর এক অংশ, এরই জের ধরে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধারপর উপজেলা প্রশাসন এর মাধ্যমে লাশ উত্তোলন চলছে খবর পাওয়া পর্যন্ত।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102