মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

মির্জাপুরে কলেজে যোগদান করতে না পেরে অধ্যক্ষের সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

‘মব আতঙ্কের’ কারণে কলেজে যোগদান করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ড. আয়েশা রাজিয়া খোন্দকার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কাজী হান্নান। তার দাবি, সুষ্ঠুভাবে কলেজ পরিচালনা করতে গিয়ে তিনি এ পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন।

শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মির্জাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

এর আগে যৌন হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ২১ মে কলেজসংলগ্ন ধল্যা এলাকায় তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে কাজী হান্নান বলেন, স্কুল শাখার সহকারী শিক্ষক সোলাইমান (ইংরেজি) তার স্ত্রীকে জড়িয়ে কলেজ পরিচালনা কমিটির কাছে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব তাকে কলেজে যোগদানের জন্য পত্র দেন।

তিনি বলেন, বুধবার (২০ মে) কলেজে যোগদান করতে গেলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু হানিফ তার যোগদানপত্র গ্রহণ করেননি। এসময় স্থানীয় যুবক ইবলু খানের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

অধ্যক্ষ কাজী হান্নান আরো বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক সোলাইমানের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং কলেজ এমপিও হওয়ার পর বেতনের তিন লাখ টাকা কলেজ ফান্ডে ফেরত দেওয়ার কথা বলায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, কলেজের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হাফিজুল ইসলাম স্থানীয় হওয়ায় কলেজের নিয়মনীতি উপেক্ষা করে আর্থিক হিসাব নিয়মিত দিচ্ছেন না। এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুললেই তিনি ক্ষিপ্ত হন। এ কারণেই তাদের নেতৃত্বে একটি চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করেন অধ্যক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যেকোনো সময় তার বিরুদ্ধে ‘মব’ সৃষ্টি হতে পারে। এ অবস্থায় তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102