“তিনটি সন্তান নষ্ট হওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে অনেক সাধনা করে আমরা মারুফকে পেয়েছিলাম। তাকে সুশিক্ষিত করতে গ্রাম ছেড়ে টাঙ্গাইল শহরে এসেছিলাম। সে পড়াশোনাতেও অনেক ভালো ছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট
নিজের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে ও পরিবারের হাল ধরতে গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালানো শুরু করেন হৃদয়। কিন্তু তার সে ইচ্ছে পূরণ হয়নি। এর আগেই নিভে যায় জীবন প্রদীপ। ৫ আগস্ট
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় স্বৈরাচার হাসিনা পতন ও ছাত্র জনতার বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিজয় অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ঘাটাইল খেলার মাঠে উপজেলার
টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবিব মাসুদ বলেছেন, ‘এদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদকে দাঁড়াতে দেব না। আগামীর বাংলাদেশ হবে চাঁদাবাজমুক্ত, ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি ও শোষণমুক্ত। আগামীর বাংলাদেশ হবে ইসলামের বাংলাদেশ।’ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ‘জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদ আবার সুযোগ নেবে। তারেক রহমান বলেছেন, সুদৃঢ় ঐক্যই রুখে দিতে পারে সব ষড়যন্ত্র। আজকে নির্বাচন নিয়ে
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, দুই-একটা রাজনৈতিক দল চেষ্টা করছে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নির্বাচন যাতে না হতে পারে। এদের ভোটের মাঠে ভোট নেই। যার ভোটের মাঠে
গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপযাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করছেন নেতারা।মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডে
বিএনপির শিশুবিষয়ক সম্পাদক সাবেক সাংসদ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেছেন, ‘যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারে তারা রাজনীতি করতে আসেনি। তারা দেশেকে ভালোবাসে না, তারা দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে, দেশের
টাঙ্গাইলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে সম্মিলনের আয়োজন
ইতিহাস বদলে দেওয়া গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত বছরের এদিনে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ছাত্র, শ্রমিক ও জনতার সম্মিলিত আন্দোলনে