মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কেন্দ্রীয় যুবদলের মুন্না-নয়ন পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে মধুপুরে আনন্দ মিছিল টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট

প্রতিবেশীর সাথে হোক শতাব্দির সেরা ঈদ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০
  • ৪৬৬ বার পড়া হয়েছে

ছোটবেলায় বইয়ে পড়ছিলাম ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে নতুন জামা পড়ে বাবার হাত ধরে নামায পড়তে যাওয়া, ফিন্নী-সেমাই খাওয়া। এসব বইয়ে পড়লেও মনে মনে মেনে নিয়েছিলাম ঈদ মানে ছলে বলে কৌশলে বড়দের থেকে সালামীর অংকটা বড় করা।

বাঙালি হিসেবে আমাদের ঘরে ঈদ আসে বিটিভি প্রচারিত সেই কালজয়ী গান শুনে। “ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ”। বহুবার আমরা এই গানটি শুনলেও চাঁদরাতে একবার না শুনলে কেনো যেনো ঈদের পূর্ণতা আসে না। নতুন জামা কাপড়গুলো ভাঁজ করে রেখে শেষ রমজানের ইফতার করেই অপেক্ষা। কখন নীল আকাশের কোণে হাসি দিয়ে নিজের মুখ দেখাবে লাজুক চাঁদমামা। এ যেনো বাঙ্গালী মুসলীমের ঈদকে বরণ করে নেয়ার হাজার বছরের পুরোনো রেওয়াজ।

তবে এবারও একইভাবে টিভিতে গান বাজবে। আকাশের কোণে চাঁদ মামাও হাসি দিবে। কিন্তু তার হাসিটা কি কিছুটা মলিন থাকবে? করোনার বিষে কি নীল হবে চাঁদ মামার সে হাসি? ধনীদের জন্য হয়তো না, তাদের চাঁদমামা আগের মতই লাজুক উজ্জ্বল হাসি হাসবে। আর গরীব কিংবা মধ্যবিত্তদের চাঁদমামা হয়তো হবে বহুরুপী। এবার ঈদের সেই কালজয়ী গানের সুর কি মধ্যবিত্ত বাবাদের বুকে চিন চিনে ব্যাথায় মলিন হবে?

প্রায় দুই মাসের অধিক সময় ধরে চলছে করোনার এক পক্ষীয় রাজত্ব। এক কথায় পুরোদেশের অর্থনীতির চাঁকা থমকে আছে। সেই সাথে ধমকে আছে মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তসহ সকলের উর্পাজনের চাঁকা। যেখানে জৈবিক চাহিদা পূরণে সবাই হিমশিম খাচ্ছে সেখানে ঈদ হয়তো অনেক বড় বিলাসিতা৷ তাইতো তাদের ঘরে হয়তো চাঁদমামার হাসি বিষের মতই নীল হবে।

তবে আমরা কিন্তু চাইলেই পারি নিজের ঈদকে শতাব্দির সেরা ঈদে পরিণত করতে। পুরো দেশের দায়িত্ব নেয়ার দরকার নেই। শুধু নিজের প্রতিবেশির সাথে ভাগাভাগি করে নিন ঈদ আনন্দ। নিজের এক প্যাকেট সেমাই কম কিনে, প্রতিবেশীকে এক প্যাকেট সেমাই। কিংবা নিজে এক কেজি বাজার কম করে, প্রতিবেশীকে এক কেজি বাজার করে দেওয়ার মাধ্যমেই এই ঈদ হতে পারে আপনার শতাব্দীর সেরা ঈদ। কারণ এক প্যাকেট সেমাই বা এক কেজি বাজার করে দিয়েই আপনি হতে পারেন আপনার প্রতিবেশীর লাজুক চাঁদ মামা।

লেখক: শিক্ষার্থী, সরকারি তিতুমীর কলেজ

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102