মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

সখীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের অভিযোগ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৫১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জিতাশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাত শতাংশ জমি বেদখলে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমি বেদখলে থাকায় নতুন করে বরাদ্দ পাওয়া একটি সরকারি ভবন ওই বিদ্যালয়ের মাঠেই নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে খেলার মাঠ হারাচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা। এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জমি উদ্ধারে গত ১৩ নভেম্বর প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু সুরাহা মেলেনি দুই মাসেও।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের জিতাশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সম্প্রতি একটি দুই তলা ভবন অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু প্রাঙ্গণের সাত শতাংশ জমি অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী দখল করে রেখেছেন। ওই জমি রুস্তম আলী বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।

এ নিয়ে স্থানীয়রা বেশ কয়েকবার বৈঠক করেও জমি উদ্ধার করতে পারেনি। এ নিয়ে গত ৪ ডিসেম্বর উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার পরিমাপ করতে গেলে অভিযুক্ত রুস্তম আলী সটকে পড়েন।

উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার জিয়াউর রহমান বলেন, বিদ্যালয় আঙিনায় মোট ৫২ শতাংশ জমির মধ্যে ৪ শতাংশ জমি কম পাওয়া গেছে।

পরে বিষয়টি সুরাহা করতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) হয়ে দায়িত্ব যায় স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে।

জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি রুস্তম আলীর সঙ্গে কথা বলেছি, কিন্তু তিনি কোনো পাত্তাই দিচ্ছেন না।’

এদিকে ভবন নির্মাণের ঠিকাদার জমি না পেয়ে বিদ্যালয়ের মাঠেই মাটি খুঁড়ে নির্মাণকাজ শুরু করে দিয়েছেন। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযোগের বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী বলেন, ‘আমি কোনো জমি দখল করিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। জমি একাধিকবার পরিমাপ করা হয়েছে। মূলত বিদ্যালয়ের জমি প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমানই দখল করে আবাদ করে খাচ্ছেন।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ হোসেন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমি নতুন যোগদান করেছি, তাই এ বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102