মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৪জন নিহত কেন্দ্রীয় যুবদলের মুন্না-নয়ন পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে মধুপুরে আনন্দ মিছিল টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে দেশি ফলের দাম বেড়েছে

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৯০ বার পড়া হয়েছে
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রমজানে চাহিদা বাড়ায় দেশি ফলের দামও বেড়েছে। প্রতি কেজি ফলের দাম গত দুই-তিন দিনের ব্যবধানে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

টাঙ্গাইলের বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফলের মধ্যে তরমুজের কেজি ৭০-৮০ টাকা, বলসুন্দরি বরই ১০০-১২০ টাকা ও আপেল বরই ১২০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দুই দিন আগে তরমুজের দাম ছিল ৬০ টাকা, বলসুন্দরি বরই ১০০ টাকা ও আপেল বরই ৮০-১০০ টাকার মধ্যে। প্রতিটি ফলের দামই ১০-২০ টাকা বেড়েছে বলে জানান ফল বিক্রেতারা। তারা বলেন, রোজায় ফলের চাহিদা বেড়ে যায়। সেই তুলনায় আমদানি নেই। যে কারণে ফলের দাম বেড়ে গেছে।

এদিকে টাঙ্গাইলের বাজারে খুচরা পর্যায়ে শবরি কলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৫০ টাকায়, বাংলা কলা ১০০ টাকায়, চাঁপা (চম্পা) কলা ৭৫ টাকায় ও সাগর কলা ১৪০ টাকায়। কলার দামও প্রতি হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি। বিক্রেতারা জানান, দুই দিন আগে শবরি কলার ডজন ছিল ১০০-১২০ টাকা, বাংলা কলা ৮০ টাকা, চাঁপা ৬০ টাকা ও সাগর কলা ১২০ টাকা। খুচরা বিক্রেতারা বলেন, পাইকারি বাজার থেকে আমরা যখন কিনি তখন সেখান থেকেই খুচরা পর্যায়ের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। আমরাও সেই দামেই বিক্রি করি। রমজানের বাড়তি চাহিদার কারণে অনেক ফলই কাঙ্ক্ষিত দামে কিনতে পারা যায়নি।

বেল প্রতি পিস আকারভেদে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আকারে একটু ছোট হলে ৬০-৮০ টাকা। আর কদবেলের পিস ৫০ টাকা। এছাড়া থাই পেয়ারার দাম ৮০-১০০ টাকা কেজি ও দেশি পেয়ারা ১০০-১২০ টাকা। দুদিন আগে ছিল থাই পেয়ারার দাম ৭০-৯০ টাকা ও দেশি পেয়ারা ৮০-১০০ টাকা। এদিকে খেজুরের সর্বনিম্ন দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা থেকে শুরু করে জাতভেদে প্রায় দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে জাহিদি খেজুরের দাম কেজিপ্রতি ২০০-২৮০ টাকা, সৌদি মরিয়ম খেজুর ৯০০ থেকে এক হাজার টাকা, আজুয়া খেজুর এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102