মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি মধুপুরে সাবা স্কয়ার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি বাংলাদেশ বনাম ভারত সাফ অনুর্ধ্ব ২০ ফাইনাল বিটিভির সৌজন্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সরাসরি সম্প্রচার-২ এপ্রিল মধুপুরে বিভিন্ন এতিমখানায় খেজুর বিতরণ মধুপুরের শালবনের ছায়ায় ঘেরা কালিয়াকুড়ি গ্রাম আজ এক অনন্য মানবতীর্থ আলোকদিয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৭ দোকান ও বিএনপি অফিস পুড়ে ছাই টাংগাইলে সূর্যমূখী চাষে কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি সম্ভাবনার আইসিটি খাতে ১০ লাখ তরুণ লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে-আইসিটি মন্ত্রী টাংগাইলে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে লেবুর দাম আকাশচুম্বি

ভূঞাপুরে রাস্তা সংস্কারের অভাবে মুসল্লিদের দুর্ভোগ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৩৩৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রায় তিনমাস আগে ভেঙে যাওয়া মসজিদে যাওয়ার রাস্তাটি সংষ্কার না হওয়ায় দুর্ভোগ পড়েছেন মুসল্লি ও রাস্তা ব্যবহারকারীরা। বিকল্প রাস্তা না থাকায় স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে যাতায়াত করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া উত্তরপাড়ার কয়েকগ্রামের যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। এছাড়া রাস্তাটি ব্যবহার করে স্থানীয়রা মসজিদ যায়। তবে গেল বন্যায় পানির স্রোতে রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয়রা। পরে স্থানীয় লোকজন নিজ উদ্যোগে যাতায়াতের জন্য বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। এতে ঝুকিঁ নিয়ে বাঁশের সাঁকো পারাপার হচ্ছে স্কুল-কলেজসহ স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, যমুনার নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় স্রোতে প্রায় ২০ মিটার রাস্তা ভেঙে যায়। এতে গভীরতা তৈরি হলে বাঁশের সাঁকো করা হয়। রাস্তাটি দিয়ে কয়েক গ্রামের মানুষজন চলাচল করে। এছাড়াও মসজিদে যাওয়ার প্রধান রাস্তা এটি।

কয়েড়া গ্রামের আমিনুল ইসলাম বলেন, বন্যায় রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার পর যাতায়াতের জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়। তবে বর্তমানে বাঁশের সাঁকোটি নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে হচ্ছে। এরআগে ভেঙে পড়েছিল রাস্তাটি। কিন্তু সংস্কার বা বিকল্প রাস্তা তৈরিতে কোন জনপ্রতিনিধি উদ্যোগ নেননি।

এবিষয়ে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন চকদার আত্মগোপনে থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গেল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন এলাকার রাস্তাগুলোর তালিকা করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে রাস্তাটির কাজ শুরু করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. পপি খাতুন বলেন, বরাদ্দ পাওয়া গেলে ভেঙে যাওয়া রাস্তাগুলো দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102