মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৪জন নিহত কেন্দ্রীয় যুবদলের মুন্না-নয়ন পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে মধুপুরে আনন্দ মিছিল টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সখীপুরে উজাড় হচ্ছে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা শাল গজারির বন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ মে, ২০২৪
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে উজাড় হয়ে হচ্ছে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা শাল গজারির বন। গাছ কেটে বনের জমি দখল ও রাতারাতি অর্থবিত্ত পাওয়ার লোভে একটি মহল বনটি ধ্বংস করছে। উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী চাটারপাড় ও ধলাপাড়া বিট এলাকায় মোতালেবের চালা থেকে শাল-গজারি গাছ কাটছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় পর্যায়ের বন প্রহরী ও বিট কর্মকর্তাদের যোগসাজেশেই শাল-গজারির বন উজাড় হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। সরজমিন দেখা যায়, বনের ভেতর থেকে কে-বা কারা বড় গাছগুলো কেটে নিয়ে গেছে। শুধু পড়ে আছে কিছু গাছের গোড়া। কিছুদিন পর সেই গোড়াগুলো তুলে লাকরি হিসেবে বিক্রি করবে। তারপর একটি মহল উজার হওয়া সেই বনের জমি দখলে নিতে ঘরবাড়ি তুলবে বলে জানায় এলাকাবাসী। বন বিভাগ সূত্রে জানায় যায়, সখীপুরের ৪টি রেঞ্জের ১৩টি বিটের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার একর জমিতে শাল-গজারি বন রয়েছে। ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া বিটের আওতায় সখীপুরের সীমানায় প্রায় ৩০-৩৫ একর জমিতে শাল-গজারির বন রয়েছে।

প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা সেই বনায়ন রক্ষায় বন কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছে। চাটারপাড় এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জনান, বনের জমি ব্যক্তিগত দখলে নিতে প্রথমেই বড় গজারি গাছগুলো কাটা হয়। তারপর ছোট গাছ। না হলে বিট অফিসার মামলা দিয়ে দিবে। গাছগুলো কাটার কয়েক দিনের মধ্যেই গাছের গোড়া তুলে ফেলা হয় যাতে কেউ কোনো চিহ্ন খুঁজে না পায়। স্থানীয়রা জানান, রাতের আঁধারে কে-বা কারা বনের ভেতর থেকে গাছ কেটে নিয়ে যায়। তাদের কোনো হদিস পাওয়া যায় না। এভাবে গাছ কাটলে এক সময় এ এলাকা থেকে শাল-গজারি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ধলাপাড়া বিট কর্মকর্তা আ. কদ্দুস মিয়া বলেন, জায়গাটা ধলাপাড়া বিটের সীমানায় পড়েছে কিনা জানা নাই। তবে খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102