মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৪জন নিহত কেন্দ্রীয় যুবদলের মুন্না-নয়ন পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে মধুপুরে আনন্দ মিছিল টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ভূঞাপুরে ভাঙন আতঙ্কে দিন পার করছে মানুষ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪
  • ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ জান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। একইসঙ্গে শুরু হয়েছে নদীর পাড় ভাঙন। বিগত ভাঙনের পর যেটুকু সম্বল বেঁচে ছিল, সেটিও ভাঙনের আশঙ্কায় চরম হতাশায় দিন পার করছেন নদীপাড়ের শতশত ভাঙন কবলিত মানুষ। ইতোমধ্যে কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের চিতুলিয়াপাড়া, ভালকুটিয়া, কষ্টাপাড়া ও নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা, পাটিতাপাড়া, কোনাবাড়ী এলাকাসহ বেশকয়েকটি এলাকায় কয়েক দিন ধরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষজন। নদীপাড়ের মানুষজন অভিযোগ করে টাঙ্গাইল নিউজবিডিকে বলেন, গত বছর ভাঙন রোধে খানুরবাড়ী, চিতুলিয়াপাড়াসহ বিভিন্নস্থানে নামমাত্র নিন্মমানের জিও ব্যাগ ফেলে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড। সেগুলো এখন ধসে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রভাব খাটিয়ে নিজ নিজ বাড়ির সামনে জিও ব্যাগ ফেলে। দরিদ্র পরিবারের বাড়ির সামনে জিও ব্যাগ ফেলা হয় না। গত বছর ভাঙনের শিকার একাধিক ব্যক্তিরা বলেন, শুকনো মৌসুমে বালু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে নদীতে জেগে ওঠা চর কেটে ট্রাকযোগে বিক্রি করে। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যায় না। যার কারণে নদীতে পানি আসলে ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। গত বছর বন্যায় ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেলা গাইড বাঁধের জিওব্যাগ আনলোড ড্রেজারগুলোর কারণে ধসে যাচ্ছে। যার ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা ও আধ-পাকা সড়ক, গাইড বাঁধ বসত-বাড়ি, মসজিদ-মন্দির, ছোট-বড় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে।

পাটিতাপাড়ার গ্রামের কোরবান আলী বলেন, গতবার বাড়ি যমুনার নদীর গর্ভে চলে গেছিল। এবারও ভাঙন শুরু হয়েছে। যদি দ্রুত ভাঙন রোধে কোন ব্যবস্থা না নাই তাহলে এইটুকুও বাড়ি থাকবে না। আমরা কিছু চাই না শুধু বাঁধ চাই, নিজের ভিটায় থাকতে চাই। একই গ্রামের সুফিয়া বেগম বলেন, যমুনা নদীতে গত কয়েকদিন ধরে পানি বাড়ছে। এতে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে ভাঙনও দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভাঙন রোধে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। গত বছর বসতভিটা ভেঙে যেটুকু থাকার জায়গা ছিল সেটি এবারও চোখের সামনে নদী গর্ভে বিলীনের পথে। আমরা ত্রাণ চাই না বাঁধ চাই।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ জানান, কিছু দিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। কিন্তু ভাঙনের বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। ভাঙনরোধে উর্ধ্বতন দপ্তরে অবগত করাসহ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে ভাঙনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ভূঞাপুরে ভাঙনের বিষয়টি ইউএনও’র মাধ্যমে জানতে পারলাম। ভাঙন এলাকাগুলোর মধ্যে গোবিন্দাসী ও নিকরাইলের জন্য একটি প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকার ইকোনোমিক জোনের কাজ শুরু হলে স্থায়ী বাঁধ হয়ে যাবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102