মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০১:৩৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুরে পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৪জন নিহত কেন্দ্রীয় যুবদলের মুন্না-নয়ন পরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে মধুপুরে আনন্দ মিছিল টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে মির্জাপুরের জামুর্কীর সন্দেশ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ মে, ২০২৫
  • ৩৬০ বার পড়া হয়েছে

জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে শত বছরের ঐতিহ্য টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কীর সন্দেশ।

গতকাল বুধবার (৩০ এপ্রিল) বিশ্ব মেধা সম্পদ দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর আয়োজিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমানের কাছ থেকে স্বীকৃতি সনদ গ্রহণ করেন। এ ছাড়া মধুপুরের আনারসের জিআই নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী উপস্থিত ছিলেন।

জামুর্কীর সন্দেশ স্থানীয়ভাবে কালিদাসের সন্দেশ হিসেবে পরিচিত। প্রায় শত বছর ধরে এই এলাকাসহ দেশব্যাপী এই সন্দেশ রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারের আমলা, বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক ব্যক্তিসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। সুস্বাদু এই পণ্য কালিদাসের সন্দেশ হিসেবে একনামে সবার কাছে পরিচিত।

এর গুণগত মান নিয়ে কখনো প্রশ্ন ওঠেনি।ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী বাজারে সাদামাটাভাবে স্থাপিত এই সন্দেশের দোকান। দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ আসে এই সন্দেশ কিনতে।

সমর সাহা বর্তমানে দোকানটি পরিচালনা করেন।

তার বাবাও এই দোকান পরিচালনা করতেন। জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় দোকানি এবং স্থানীয়দের মধ্যে খুশির জোয়ার বইছে। প্রতিদিন গুড় ও চিনির স্বাদে দুই ধরনের কয়েক মন সন্দেশ বিক্রি হলেও এর সঠিক হিসাব দেননি ব্যবসায়ী সমর সাহা।সঠিক হিসেব না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে বলেন, ‘সরকার ভ্যাট ট্যাক্স বসাবে। আমাকে বেশি দামে বিক্রি করতে হবে।

এতে ব্যবসায় মন্দাভাব চলে আসবে।’ বর্তমানে প্রতি কেজি সন্দেশ ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি।

পাকুল্যা গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আমাদের এলাকার পণ্য জিআই স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা আনন্দিত। এই স্বীকৃতিতে বর্তমান সরকারের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের চেষ্টায় মির্জাপুরবাসীর চাওয়াকে সরকার স্বীকৃতি দিয়েছে। এটা এই এলাকার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।’

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102