মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি

মুষ্টির চাল বিক্রির টাকায় নির্মিত রাস্তার অবশিষ্ট অংশ সরকারি অর্থায়নে সম্পন্ন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫
  • ৩৮৫ বার পড়া হয়েছে

মুষ্টির চাল বিক্রির টাকায় নির্মিত রাস্তার অবশিষ্ট অংশ অবশেষে সরকারি অর্থায়নে সম্পন্ন করা হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে অবশিষ্ট ১ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় স্থানীয় লোকজন সাধুবাদ জানিয়েছেন। তবে স্থানীয়রা রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি করেন।

রাস্তা নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় পর রোববার (৪ মে) বিকেলে দুই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্মকর্তারা সড়ক পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, জেলার মির্জাপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার শেষ প্রান্তে দুইটি গ্রাম গবড়া ও ডুবাইল। দুই উপজেলার সীমান্ত হওয়ায় স্বাধীনতার পর থেকে এলাকার উন্নয়নের কোনো উদ্যোগ নেয়নি কেউ। এ সড়ক দিয়ে কয়েক গ্রামের হাজারো মানুষ যাতায়াত করে। এ অবস্থায় গত ৫ বছর ধরে স্থানীয় যুব সমাজ ও মুরব্বিরা সাপ্তাহিক মুষ্টির চাল তুলতে থাকেন। পরে সেই চাল বিক্রির ৪ লাখ টাকা এবং স্থানীয়দের দেওয়া আরও ১ লাখ টাকা দিয়ে মাটি ফেলে প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। কিন্তু রাস্তা নির্মাণের এক পর্যায়ে সমস্ত টাকা শেষ হয়ে যায়। টাকা শেষ হওয়ার কারণে বাকি কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেনি স্থানীয়রা।

আরো পড়ুনঃ টাংগাইলে মুষ্টিচালের টাকা দিয়ে রাস্তা নির্মাণ

উপজেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগের দুই কিলোমিটার দীর্ঘ একমাত্র রাস্তাটির বেহাল দশার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় দুই গ্রামের হাজারো মানুষের। বিশেষ করে অসুস্থ হলে রোগীকে নিয়ে যেতে কষ্ট হতো। এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আত্মীয়তা করতেও চাইতো না কেউ। রাস্তার কারণে এলাকার অনেকে বিয়েও করতে পারেননি।

পরে এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি অর্থায়নে রাস্তার বাকি অংশের ১ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন করেন।

এ ব্যাপারে দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ বলেন, দেলদুয়ার অংশের প্রায় ১০০০ মিটার মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। আমরা শিগগিরই এলজিইডির মাধ্যমে রাস্তাটির আইডি নির্ধারণ করে ইট সলিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। পরবর্তী সময়ে রাস্তাটি পাকা করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম আরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আসায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় আমরা সরকারিভাবে রাস্তার কাজ সম্পন্ন করেছি। এ নিয়ে দুই উপজেলার কর্মকর্তারা বসেছিলাম।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102